প্রতীক উর কাঁটায় বিদ্ধ সিপিএম। ব্যাকফুটে আলিমুদ্দিন। দলের 'বিদ্রোহী' যুবনেতা পার্টির রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে নিশানা করে দলের বিরুদ্ধে একের পর এক বোমাবর্ষণ করেছেন। কীভাবে তাঁকে কোণঠাসা করা হয়েছিল, তাঁর কথা শোনার জন্য কেউ সময় দেয়নি তা সামনে এনেছে প্রতীক। আর বাম যুব আন্দোলনের উজ্জ্বল মুখ প্রতীক উরের কার্যত পাশেই দাঁড়িয়েছে বামফ্রন্টের শরিক দলের যুব নেতারাও। সিপিএমের আপত্তি থাকলে ফরওয়ার্ড ব্লকে আসার জন্য প্রতীক উরকে আহ্বান জানিয়েছেন যুবলিগের রাজ্য সম্পাদক স্বরূপ দেব।
আবার সিপিআইয়ের যুব নেতা সৈকত গিরির বক্তব্য, "গরিব-প্রান্তিক এলাকা থেকে উঠে আসা প্রতীক উর বাম ছাত্র-যুব আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিল। বাম আন্দোলনের অন্যতম সম্পদ সে। তাঁকে ধরে রাখতে না পারার ব্যর্থতা সার্বিকভাবে নেতৃত্বের নেওয়া উচিত।" আবার আরএসপির যুব সংগঠন আরওয়াইএফের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক বর্তমানে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “প্রতীক উরের একট সংযত হওয়া উচিত। কিন্তু সিপিএমেরও উচিত বিষয়টি বেশিদুর যাতে এগিয়ে না যায়। আমাদের লক্ষ্যটা যাতে ধাক্কা না খায়।"
ফরওয়ার্ড ব্লকের যুব সংগঠন যুবলিগের রাজ্য সম্পাদক স্বরূপ দেবের বক্তব্য, "প্রতীক উরের মতো নেতারা বামেদের সম্পদ। সিপিএম পার্টি যদি মনে করত তা হলে তার সঙ্গে কথা বলে মিটিয়ে নিলে লাভহত। প্রতীক উর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।" এরপরই ফরওয়ার্ড ব্লকের যুব নেতার আহ্বান, "প্রতীক উর চাইলে ফরওয়ার্ড ব্লকে আসতে আহ্বান করব। সম্মানের সঙ্গে যুবলিগে আমরা আহ্বান জানাব।" সিপিএমের বিদ্রোহী যুব নেতা প্রতীক উরের পাশে এভাবেই পুরোপুরিভাবে দাঁড়িয়েছেন বামফ্রন্টের দুই শরিক সিপিআই ও ফরওয়ার্ড ব্লকের যুব নেতা সৈকত গিরি এবং স্বরূপ দেব। আবার নরম মনোভাব দেখিয়েছেন সিপিআইয়ের প্রাক্তন যুব নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে প্রতীক উর প্রশ্নে শরিকরা সিপিএমকে পুরোপুরি সমর্থন না করায় আবার কিছুটা চাপে আলিমুদ্দিনও।
