ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে খাস কলকাতায় ফের বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হল। উত্তর কলকাতার শ্যামবাজার এলাকা থেকে এদিন প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত হল। ঘটনায় দু'জনকে আটক করা হয়েছে। কোথা থেকে ওই টাকা আনা হচ্ছিল? কোথায়, কার কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল? সেই বিষয়টি খোঁজখবর করছেন তদন্তকারীরা। ভোটের আগে কলকাতা শহরেও একইভাবে বিভিন্ন জায়গায় নাকাতল্লাশি চলছে। এদিন বড়বাজার এলাকা থেকে ১৬ লক্ষ ও নিউ মার্কেট এলাকায় ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে।
কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী ২৯ তারিখ ভোট (West Bengal Assembly Election)। বাইরে থেকে যাতে টাকা, অস্ত্র না ঢুকতে পারে, বাইরে থেকে কোনও দুষ্কৃতী যাতে না আসে, সেজন্য কড়া নজরদারি, নাকাতল্লাশি চলছে। সেই আবহেই কলকাতায় পাওয়া গেল ওই টাকা। এদিন সকালে শ্যামবাজার এলাকায় নাকাতল্লাশি চলছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী, এসএসটি টিম ও বড়তলা থানার পুলিশ বিভিন্ন গাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছিল। সকাল ৯.৫৫ মিনিট নাগাদ একটি গাড়ি আটক করে তল্লাশি চলছিল। গাড়ির দুই যাত্রীকে দেখে সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের।
তাঁদের কাছে একটি কালো রঙের চামড়ার ব্যাগ ছিল। ওই ব্যাগটি খুলতেই কাড়ি কাড়ি টাকা বেরিয়ে পড়ে। এরপরই দুই যাত্রীকে আটক করেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই টাকার কোনও রশিদ বা সঠিক তথ্য ওই দুই যুবক দিতে পারেননি। এরপরই তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আটক হওয়া দুই ব্যক্তির নাম সাজিদুর রহমান ও বিবেক ওঝা। উদ্ধার হওয়া মোট টাকার পরিমাণ ১৯ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা। প্রত্যেকটি নোটই ৫০০ টাকার। জানা গিয়েছে, সাজিদুর রহমানের বাড়ি নদিয়ার কালিগঞ্জ থানার জানকী নগরে।
বিবেক ওঝার বাড়ি হাওড়ার সালকিয়ায়। ওই টাকা বাজেয়াপ্ত করার সময় শ্যামপুকুর ১৬৬ বিধানসভা কেন্দ্রের নোডাল অফিসার শিবব্রত রায় উপস্থিত ছিলেন।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কলকাতার বেহালায় এক অভিযান চালিয়েছিল। এক সংস্থার কর্তার বাড়ি থেকে নগদ এক কোটির বেশি টাকা উদ্ধার হয়। বাংলা-অসম সীমান্তেও নাকাতল্লাশি করে বিপুল পরিমাণে টাকা উদ্ধার হয়েছে।
