রাজ্যপাল পদ থেকে সদ্য প্রাক্তন হয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। দিল্লিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। সময় শেষ করার ২০ মাস আগে কেন তিনি সরে গেলেন, সেই প্রশ্ন উঠেছে। বাংলা থেকে বোসের এভাবে চলে যাওয়া নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ থেকে সরানো হল বোসকে? "ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। এর কারণ জেনেই ছাড়ব।" এদিন ধর্মতলার মঞ্চ থেকে জানালেন তৃণমূল নেত্রী। প্রসঙ্গত, এসআইআরের প্রতিবাদে কলকাতার ধর্মতলায় ধরনা চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব।
ভোটের আগে আচমকা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কোনও চাপের মুখে পড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এমন চর্চা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ বিষয়ে বিজেপির দিকে ইঙ্গিত করেছেন। কিন্তু এর মাঝে রবিবার কলকাতায় ফিরে এনিয়ে মুখ খুলেছেন সিভি আনন্দ বোস নিজেই। গতকাল দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কিছুটা দার্শনিক সুরেই বলেন, "এটা আমার সচেতন সিদ্ধান্ত। এটাই বিদায় নেওয়ার সঠিক সময়। একজন গেলে তবেই তো আরেকজন আসবে।" বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে কাজে যোগ দেবেন আরএন রবি। আগামী বুধবার তিনি বাংলায় আসবেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।
কেন রাজ্যপাল পদ থেকে সিভি আনন্দ বোসকে সরানো হল? সেই প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিভি আনন্দ বোসের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। আজ, সোমবার সন্ধ্যায় ধর্মতলার ধরনামঞ্চ থেকে আরও একবার বোস ইস্যুতে সরব হলেন তিনি। লোকভবন বিজেপি ভবন হবে, বলে মমতা এদিন কটাক্ষ করেছেন। সেখান থেকে টাকা পাচার হবে! এমন প্রশ্নও তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী। সে কারণে বোসকে সরানো হল বলেও মনে করছেন তিনি।
এদিন মঞ্চ থেকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। "ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।" সেই কথা বলতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। কী কারণে সিভি আনন্দ বোসকে বাংলার রাজ্যপাল পদ থেকে সরানো হল? সেই কারণ তিনি নিজেই খুঁজে বার করবেন। সেই কথাও জোর গলায় এদিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
