গিগ ওয়ার্কারদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাজ্য সরকারের। এবার থেকে স্বাস্থ্যসাথীর অধীনে নিয়ে আসা হল গিগ ওয়ার্কারদের। গিগ ইকোনমির সঙ্গে যুক্ত কর্মীরাও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে সুবিধা পাবেন।
গিগ ওয়ার্কারের আওতায় আসেন খাবার ডেলিভারি, অ্যাপ বাইক চালক, অ্যাপ চালক ছাড়াও অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরা। এই অংসগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য মানবিক মুখ্যমন্ত্রীর নয়া সিদ্ধান্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আলাদা করে একটি পোর্টাল খোলা হবে। সেখানে আবেদন করতে পারবেন গিগ কর্মীরা। ভেরিফিকেশনের পর এই সুবিধা মিলবে। শুধু স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধাই নয়, গিগ কর্মী বা তাঁর পরিবার আরও একাধিক এককালীন সুবিধা পাবেন বলে জানা গিয়েছে।
এই অংসগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য মানবিক মুখ্যমন্ত্রীর নয়া সিদ্ধান্ত। জানা গিয়েছে, আলাদা করে একটি পোর্টাল খোলা হবে। সেখানে আবেদন করতে পারবেন গিগ ওয়ার্কাররা। ভেরিফিকেশনের পর এই সুবিধা মিলবে। শুধু স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা নয়, গিগ কর্মী বা তাঁর পরিবার আরও একাধিক এককালীন সুবিধা পাবেন বলে জানা গিয়েছে।
বর্তমানে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের প্রায় প্রতিটি পরিবারের প্রত্যেক সদস্য স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পান। এবার আলাদা করে গিগ কর্মীরা সেই সুবিধা পাবেন। বাজেট পেশের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "সামাজিক সুরক্ষা নেই গিগ ওয়ার্কারদের। একটা পোর্টাল খোলা হবে। সেখানে অ্যাপলাই করতে পারবে। একটা সার্ভে হবে। অসুস্থ হলে, মারা গেলে পরিজনরা সাহায্য পাবে।"
আজ, বৃহস্পতিবার ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃতীয় বারে তৃণমূল সরকারের শেষ বাজেট এটি। নতুন সরকার গঠনের পর ফের একটি বাজেট পেশ হবে। তার আগে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী। গিগ ওয়ার্কারদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষার পাশাপাশি বেকার যুবসমাজের জন্য নতুন প্রকল্প থেকে জনপ্রিয় সামাজিক প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে বাজেটে।
