কালীঘাট তৃণমূলে মষুলপর্ব। চলছে 'খেলা ভাঙার খেলা'। একে একে ঋতব্রত শিবিরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ঘনিষ্ঠরা। 'ঘাসের উপর জোড়াফুল' অর্থাৎ তৃণমূলের প্রতীক যেতে পারে বিদ্রোহী শিবিরের হাতে! এমন জল্পনা আগেই ছিল। এবার সেই শঙ্কায় শঙ্কিত তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও! এ দিন তিনি বললেন, "প্রতীক যদি চলেও যায়, তাতে কিছু যায় আসে না। রাস্তায় বেরলে আমার কণ্ঠরোধ করতে পারবেন না। গলায় সিম্বল ঝুলিয়ে বাড়ি বাড়ি যাব। নতুন করে গড়ে তুলব।"
ছাব্বিশের নির্বাচনের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিচ্ছেন অনেক তৃণমূল নেতা। সেই তালিকায় নবতম সংযোন সদ্য প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (যদিও বিক্ষুব্ধ শিবিরে যাওয়া নিয়ে কিছু স্পষ্ট করেননি)। তারপরই শনিবার সন্ধ্যায় সোশাল মিডিয়ায় লাইভে আসেন মমতা।
এ দিকে ২১ জুলাইয়ের সভা (21 July TMC Rally) নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ধর্মতলায় সভা করার অনুমতি মেলেনি। কোথায় জনসভা হবে তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই আবহে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কর্মীদের বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, "রিক্সা চড়ে হলেও হবে ২১ জুলাই।"
ছাব্বিশের নির্বাচনের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিচ্ছেন অনেক তৃণমূল নেতা। সেই তালিকায় নবতম সংযোজন সদ্য প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (যদিও বিক্ষুব্ধ শিবিরে যাওয়া নিয়ে কিছু স্পষ্ট করেননি)। তারপরই শনিবার সন্ধ্যায় সোশাল মিডিয়ায় লাইভে আসেন মমতা। সেখানে প্রতীক হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা শোনা যায় তাঁর গলায়। তিনি বলেন, "নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করে সিম্বল কেড়ে নিতে পারেন। যদিও আমরা জানি সিম্বল আপনার পক্ষে যাবে না। কিন্তু ধরে নিলাম যদি ভ্যানিশ কুমারবাবু (জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার) যদি সিম্বল দিয়েও দেন তাতে কি যায় আসে? সিম্বল সেটাই হয় যেটা সাধারণ মানুষ গ্রহণ করে। আমি এই সিম্বল নিয়ে লড়াই করেছিলাম। আর এখন দরকারে গলায় সিম্বল ঝুলিয়ে মানুষের কাছে যখন বেরব। আপনারা কি আমার কন্ঠরোধ করতে পারবেন?"
এ দিকে ২১ জুলাই সমাবেশ নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে। ধর্মতলায় সভা নিয়ে অনুমতি মেলেনি। কোথায় সেই মিটিং হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। মমতা এদিন সাফ জানিয়েছেন যে০-কোনও মূল্যে ২১ জুলাই শহিদ সমাবেশ করবেন তাঁরা। মমতা বলেন, "রিক্সা চড়েও হলেও হবে ২১ জুলাই। এখন স্থান ঠিক হয়নি। জানিয়ে দেওয়া হবে।"
