shono
Advertisement

‘দীর্ঘায়ু হোক শচীন’, পাকিস্তানের হয়ে লিটল মাস্টারকে ৫০ তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা মিয়াঁদাদের

'শচীন কিন্তু চিরকাল দেশের হয়েই খেলে এসেছে', মনে করাচ্ছেন মিয়াঁদাদ।
Posted: 11:10 AM Apr 24, 2023Updated: 11:21 AM Apr 24, 2023

শচীন তেণ্ডুলকরের (Sachin Tendulkar) সুদীর্ঘ ক্রিকেট কেরিয়ারের শুরুর সাক্ষী তিনি। ১৯৮৯ সালের সেই শক্তিশালী পাক দলের অন্যতম ক্রিকেটার ছিলেন জাভেদ মিয়াঁদাদ (Javed Miandad)। কিংবদন্তি প্রবীণ  সেই কিশোর শচীনকে দেখার অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে। ব্যাখ্যা করলেন শচীনের আসল মহত্ব কোথায়। প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ব্যক্তি শচীন‌েরও। লিটল মাস্টারকে জন্মদিনের একবুক শুভেচ্ছা জানালেন মিয়াঁদাদ। শুনলেন কৃশানু মজুমদার

Advertisement

আজ শচীন তেণ্ডুলকরের জন্মদিন। শচীনের শুরু দেখেছিলেন আপনি। সেই সময়ে তাঁকে বিস্ময়বালক বলা হত। তার পরে ব্যাট হাতে একশোয় একশো করেছেন। আজ জীবনের ময়দানে হাফ সেঞ্চুরি ছুঁলেন। শচীনের জন্মদিনে আপনি কী বলবেন?

মিয়াঁদাদ-গোটা পাকিস্তানের হয়ে আমি শচীন তেণ্ডুলকরকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ইনশাল্লাহ, দীর্ঘায়ু হোক শচীন। খুব সহজ সরল একজন মানুষ। ওয়ান অফ দ্য বেস্ট ক্রিকেটার ইন্ডিয়া হ্যাজ এভার প্রডিউজড। শচীন শুধুমাত্র একজন চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটারই নয়, অত্যন্ত ভদ্র একজন মানুষ। ভেরি হাম্বল ম্যান। ওর জীবনদর্শন অনুসরণ করার মতোই। যে কোনও প্রজন্মের কাছেই শচীন রোল মডেল হতে পারে। আর উঠতি ক্রিকেটারদের আমি বলব, তোমরা শচীন তেণ্ডুলকরের ব্যাটিং ফলো করো। কীভাবে শট খেলতে হয়, শটের সময়ে ব্যাটের পজিশন, শরীরের অবস্থান কেমন হয়, সব কিছুই ওর থেকে শিক্ষণীয়। আজ শচীনের জন্মদিন। আই উইশ হিম বেস্ট অফ লাক।

আপনিও একদিন পঞ্চাশ পূর্ণ করেছেন। ব্যক্তির জীবনে এই পঞ্চাশ বছরের বিশেষত্ব কোথায়?

মিয়াঁদাদ-কোনও সংস্থার ক্ষেত্রে গোল্ডেন জুবিলি, সিলভার জুবিলি, প্ল্যাটিনাম জুবিলি পালন করা হয়। দেশের ক্ষেত্রেও স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর বা পঁচাত্তর বছর উদযাপন করা হয়। তা দিয়ে দেশের অগ্রগতি, বিকাশ পরিমাপ করা হয়। ব্যক্তিবিশেষের জীবনেও তেমনই। প্রতি বছরের জন্মদিন উদযাপন করা হয়। একটা বছর পেরনো মানে অভিজ্ঞতা একটু একটু করে বাড়া, মানুষ হিসেবে আরও পরিণত হওয়া। এভাবেই একেকটা বছর পেরোতে পেরোতে আসে পঞ্চাশ। মানুষের জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকও বটে এই পঞ্চাশ বছর। পিছনে ফিরে তাকালে জীবনের ওঠাপড়া, চলার পথটা দেখা যায়। মনে হয় কিছু একটা পেরোলাম। শচীনও আজ পঞ্চাশে পা রাখল। ওর জন্য শুভকামনা রইল। 

[আরও পড়ুন: ‘আমার ফেয়ারওয়েল…’ ইডেনে ধোনির মুখে অবসর প্রসঙ্গ, মনখারাপ মাহি ভক্তদের]

 

শচীন এক রূপকথার নাম। তার সূচনা কিন্তু আপনার দেশের মাটি থেকে। অগ্রজ ক্রিকেটার হিসেবে অনুজর শুরু দেখেছেন। শচীনকে শুরুর দিন থেকে দেখার অভিজ্ঞতা যদি শেয়ার করেন।

মিয়াঁদাদ- আমি বলব অসাধারণ পারফম্যান্সের মাধ্যমে গোটা দুনিয়াকে নিজের হাতের মুঠোয় এনেছিল শচীন। পারফরম্যান্স এমন একটা বিষয় যা দিয়ে সবার মুখ বন্ধ করে দেওয়া যায়। জীবনের যে কোনও ক্ষেত্রে, যে কোনও পেশায়, যে কোনও খেলায় কেউ যদি পারফর্ম করে, তাহলে ইউ ডোন্ট হ্যাভ টু সে। তোমার আর কিছু বলার দরকার নেই। তোমার পারফরম্যান্স তোমার হয়ে কথা বলবে। জাস্ট পারফর্ম অ্যান্ড পিপল উইল রিমেম্বার ইউ। তুমি যদি কিছু করে থাকো, তাহলেই তোমাকে নিয়ে মানুষ কথা বলবে।
শচীনের প্রথম পাকিস্তান সফরের কথা আমার পরিষ্কার মনে আছে। আমিও তখন পাকিস্তান দলে। শচীন-সহ গোটা ভারতীয় দলকে আমার বাড়িতে আমন্ত্রণ জানিয়ে ছিলাম। শচীন বাড়িতে এসে আমাকে অনেক প্রশ্ন করছিল, জানতে চাইছিল বিভিন্ন বিষয় আমার কাছ থেকে। ক্রিকেটার জো হ্যায়, ও হামেশা শিখতে হ্যায়। তেণ্ডুলকর যে আমার কাছে বিভিন্ন বিষয় জানতে চাইছিল, প্রশ্ন করছিল, তা প্রমাণ করে শচীন শিখতে আগ্রহী ছিল। ওর শেখার অদম্য এক ইচ্ছা ছিল। এই ইচ্ছাশক্তি ওকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। যত দিন এগিয়েছে, শচীন ক্রমশ অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছে। দেশের পাহাড়প্রমাণ চাপ সামলেছে। এভাবেই তো একজন ক্রিকেটার শাখাপ্রশাখা মেলে দেয়। ছায়া দেয় গোটা দেশকে।

পাকিস্তানের মাটিতে প্রথম বার শচীন মানেই আমাদের চোখের সামনে ভাসে ওয়াকার ইউনিসের বল রক্তাক্ত করে দিল একটা ১৬ বছরের ছেলেকে। আপনারা সবাই ঘিরে ধরেছেন। নভজ্যোৎ সিং সিধু এগিয়ে এসে শচীনকে চিকিৎসার পরামর্শ দিচ্ছেন, তখন বাচ্চা শচীন একটু ভয় না পেয়ে বলছেন, মে খেলেগা।

মিয়াঁদাদ-শুনুন ইনজুরি এমন একটা জিনিস, যা মনকে বিভ্রান্ত করে দেয়। অনেকে চোট পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়। এর অর্থ কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিয়ে, আবার ঝরঝরে হয়ে খেলতে নামা। আসল কথা হল, খেলার মতো অবস্থায় নিজেকে আবার নিয়ে যাওয়া। একজন ক্রিকেটারই বলতে পারে তাঁর ইনজুরি ঠিক কতটা। চোট নিয়ে আদৌ সে খেলতে সক্ষম কিনা। শচীনের যখন লেগেছিল, তখন ওর মাথাতেও নিশ্চয় নানাধরনের চিন্তাভাবনা ঘুরপাক খাচ্ছিল। ও যদি অবসৃতই হয়, তাহলে কে আসবে ব্যাট করতে? নতুন ব্যাটসম্যান এসেই কি প্রতিপক্ষের বোলিং আক্রমণের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে? সেই সময় দ্রুত উইকেট হারালে দেশ বিপন্ন হতে পারে। সে সব কথাই হয়তো মাথায় খেলা করছিল শচীনের। দেশকে সমস্যায় ফেলতে চায়নি। এটাই সব থেকে বড় ব্যাপার। ইওর কান্ট্রি কামস ফার্স্ট। ইউ শুড নট লেট ডাউন ইওর কান্ট্রি। শচীনও সবসময়ে দেশের জন্য খেলে এসেছে। দেশ ওর কাছে সবার আগে। ক্রিকেট ইজ ইওর ব্রেড অ্যান্ড বাটার। তাই ক্রিকেটের প্রতি ও চিরকাল সৎ থাকার চেষ্টা করেছে।

[আরও পড়ুন: কীভাবে উন্নতির দীক্ষামন্ত্র দিয়েছিলেন শচীন? জানালেন হরভজন সিং]

একটা সময় বিশ্বক্রিকেটের জল্পনা ছিল কোথায় গিয়ে থামবেন শচীন তেণ্ডুলকর। একশোটা সেঞ্চুরি করে তবেই থেমেছেন। আপনি নিজে একজন কিংবদন্তি ক্রিকেটার। অন্য দেশের আরেক কিংবদন্তির এই মহান কীর্তিকে কীভাবে দেখেন?

 

মিয়াঁদাদ-তেণ্ডুলকর ওর ক্লাস প্রমাণ করেছে। নইলে একশোটা সেঞ্চুরি করা কখনওই সম্ভবই নয়। আপনি মনে রাখবেন ক্রিকেটারদের জীবনে সব সময়ে চাপ থাকে। দুটো-তিনটে ম্যাচে রান না পেলে আপনাকে বসিয়ে দেবে, দলে জায়গা হবে না, লোক দুয়ো দুয়ো করবে। কিন্তু শচীন ওর পারফরম্যান্স দিয়ে সবার মুখ বন্ধ করে দিয়েছিল। শচীন কী করেছে, তা গোটা দেশ জানে। খেলা ছাড়ার পরেও আপনি আমাকে শচীনকে নিয়ে প্রশ্ন করছেন মানেই ও কিছু করেছে। আজ শচীন সম্পর্কে কেউ যদি খারাপ মন্তব্য করে, তাহলে দেখবেন সবাই ঝাঁপিয়ে পড়বে সেই ব্যক্তির উপরে। এখানেই তো প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে, শচীন হ্যাজ স্যাটিসফায়েড দ্য হোল নেশন।

একশোটা সেঞ্চুরির মধ্যে যদি একটা বা দুটো সেঞ্চুরি আপনাকে বাছতে বলা হয়, তাহলে আপনি কোন দুটো বা তিনটে সেঞ্চুরির কথা বলবেন?

মিয়াঁদাদ-ওরকম ভাবে আমি কোনও সেঞ্চুরিকে এক, দুই বা তিনে রাখতে পারব না। দেখুন, একশোটা সেঞ্চুরি করতে গেলে আপনাকে কম করে একশোটা ম্যাচ খেলতে হবে। যদি আমি ধরেও নিই প্রতি ম্যাচ পিছু সেই ক্রিকেটার সেঞ্চুরি করবে। এখন কেউ যদি শচীনের একশোটা সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙতে চায়, তাহলে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রিকেট খেলতে হবেই হবে। প্রতিনিয়ত রান করে যেতে হবে। তবেই তাঁর পক্ষে ওই একশোর মাইলফলক স্পর্শ করা সম্ভব হবে। বুঝতেই পারছেন কাজটা কতটা কঠিন।
তবে এখানে আমি একটা কথা বলতে চাই। এটা তুলনা নয়। ভারতীয় ক্রিকেটের প্রতি শচীনের অবদান মেনে নিয়েও বলছি, আমার কাছে সেরা সানি গাভাসকর। সানি ভাই আর আমি প্রায় সমসাময়িক, সেই কারণেই আমি সুনীল গাভাসকরের কথা বলছি আপনি বলতেই পারেন। কিন্তু ভেবে দেখবেন একবার, সানি ভাই ব্যাট করতে নেমে কাদের সামলেছে। যে ধরনের বোলারদের মুখোমুখি হয়েছিল সানি ভাই, তেণ্ডুলকর কি সেই ধরনের বোলিং আক্রমণের মুখোমুখি হয়েছিল? বলুন আপনি?

কেন শচীন তো ম্যাকগ্রা, ওয়াসিম আক্রম, শোয়েব আখতারদের মতো বোলারদের বিরুদ্ধে খেলেছে…

মিয়াঁদাদ-সানি ভাই যখন খেলেছে তখন দুনিয়ার বোলিং আক্রমণটা দেখুন। অ্যান্ডি রবার্টস, মাইকেল হোল্ডিং, ম্যালকম মার্শাল, জোয়েল গার্নার। অস্ট্রেলিয়ার লিলি, টমসন। তেণ্ডুলকরকে কি এই ধরনের ভীতিপ্রদ বোলারদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল? আমি যে সময়ের কথা বলছি তখন ক্রিকেট অন্যরকম ছিল। ওভার পিছু বাউন্সারের সংখ্যা বেঁধে দেওয়া হয়নি। হেলমেট পরত না সুনীল গাভাসকর। সেই সময়ের বোলারদের বলের গতি কীরকম ছিল! ওই ধরনের বোলারদের সামলানো সত্যি সত্যিই কঠিন ছিল। এটা ভেবে বসবেন না তেণ্ডুলকরের কীর্তিকে আমি খাটো করছি। সার্বিক ভাবে ছবিটা আমি তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।

একসময়ে বলা হত শচীনের উইকেট তুলে নিলেই ভারত হেরে যাবে। পাকিস্তানও তো খেলতে নেমে শচীনের উইকেট আগে তোলার চেষ্টা করত। ১৯৯২, ১৯৯৬ বিশ্বকাপে আপনি খেলেছেন। আপনাদের ড্রেসিং রুমে কি শচীনকে নিয়েই পরিকল্পনা সাজানো হত?

মিয়াঁদাদ-সেরকম ব্যাপার নয়। তেণ্ডুলকর অবশ্যই একজন অত্যন্ত দক্ষ এবং ভাল ব্যাটসম্যান। সবাই চাইবে ভাল ব্যাটসম্যানকে আগে ফেরাতে। শচীন ছাড়াও ভারতীয় দলে ভাল ক্রিকেটার ছিল অতীতে। এই যেমন সুনীল গাভাসকরের কথা বললাম। 

[আরও পড়ুন:‘শচীন নামেই জাতীয় সংহতি’, ৫০ তম জন্মদিনে ক্রিকেট ঈশ্বরকে নিয়ে বলছেন ফারহান আখতার]

আচ্ছা একটা সত্যি কথা বলুন তো। শচীনকে ব্যাট করতে দেখে কোনও সময়ে আপনার রাগ হয়েছিল? ২০০৩ বিশ্বকাপে সেঞ্চুরিয়নে শোয়েব আখতারকে যখন শচীন গ্যালারিতে ফেললেন, তখনও কি আপনার রাগ হয়নি?

মিয়াঁদাদ- দেখুন ইন্ডিয়া আর পাকিস্তানের মধ্যে ক্রিকেট নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে। বাট ইন দ্য মিডল, ইউ প্লে ফর ইওর কান্ট্রি অ্যান্ড আই প্লে ফর মাই কান্ট্রি। মাঠের ভিতরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল, এখনও আছে। রেষারেষি থাকে। কিন্তু আমরা একে অপরের পিঠও থাবড়ে দিয়েছি। বাহবা দিয়েছি। শচীনের মতো ক্লাস প্লেয়ারের খেলা দেখা মনের আনন্দ। যে ভাল খেলে তার তারিফ সবাই করে। পাকিস্তানেও শচীনের অনেক ভক্ত আছে। সেটা ওর খেলার জন্য। খেলার সময়টুকু বাদ দিলে আমরা দুই দেশের ক্রিকেটাররা একে অপরের সঙ্গে ম্যাচের শেষে আড্ডা মেরেছি, একসঙ্গে খেয়েছি, গল্পও করেছি। খেলার মাঠে তীব্র কম্পিটিশন থাকে। আর এই কম্পিটিশন আছে বলেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ এখনও জনপ্রিয়।

আপনাকে শেষ প্রশ্ন। বিশ্ব ক্রিকেটে তীব্র জল্পনা চলছে, শচীনের একশোটা সেঞ্চুরির রেকর্ড কি ভাঙতে পারবেন বিরাট কোহলি! আপনার কী মনে হয়?

মিয়াঁদাদ-আমি একটু আগেই এই কথা বলেছি আপনাকে। শচীনের রেকর্ড ভাঙতে হলে দীর্ঘ সময় ধরে কাউকে খেলতে হবে। তবে এটাও তো ঠিক, রেকর্ড তৈরি হয় ভাঙার জন্যই। আগামী দিনে ক্রিকেট খেলিয়ে দেশের সংখ্যা আরও বাড়বে। ফলে ম্যাচের সংখ্যাও বাড়বে। আমাদের সময়ে ক’টা ম্যাচ হত বলুন তো? সে টেস্টই বলুন বা ওয়ানডে! বোলারকে বশ করেই রান করবে ব্যাটসম্যান। বোলিংয়ে যদি কামড় না থাকে, বোলিং যদি দুর্বল হয়, তাহলে ব্যাটসম্যানের পক্ষে রান করা সহজ হবে। আর বোলিং কঠিন হলে, ব্যাটসম্যানদের পক্ষে রান করা কঠিন হবে। এখনকার সময়ে ভাল মানের বোলিং আক্রমণ কি আছে? একটু আগে সানি ভাইয়ের সময়ের বোলিং আক্রমণের কথা বললাম। আমি এভাবে তুলনা করতে চাই না। বরং বলতে চাই, বেস্ট অফ লাক টু এভরিওয়ান। বেস্ট অফ লাক টু ক্রিকেট।

[আরও পড়ুন: ‘ব্যাটের সঙ্গ কখনও ছাড়বি না’, শিষ্য শচীনকে বলেছিলেন গুরু আচরেকর]

 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement