বৈধ ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ কমিশনের বিরুদ্ধে। সিইও দপ্তরের (CEO Office) বাইরে SUCI-এর বিক্ষোভে (Protest) তুলকালাম। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা, উঠল স্লোগান। বিক্ষোভের জেরে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়ে স্ট্র্যান্ড রোড ও হেয়ার স্ট্রিটের একাংশ। কমিশনের গেটের বাইরে জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা।
গত দু'দিন ধরেই রাজনৈতিক ইস্যুতে 'হটস্পট' CEO দপ্তর। গতকাল বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। রাতভর তৃণমূলপন্থী বিএলওদের বিক্ষোভ চলেছে। দপ্তরের গেটের বাইরে জারি ছিল ১৪৪ ধারা। আজ নতুন করে তেতে উঠল কমিশন দপ্তরের বাইরের এলাকা। SUCI-এর বিক্ষোভে তুলকালাম পরিস্থিতি। স্ট্র্যান্ড রোডের যেদিক থেকে মিছিল আসার কথা ছিল, সেদিকে আগেই ব্যারিকেড করে দেয় পুলিশ। SUCI-এর মিছিল সেখানে পৌঁছতেই তুমুল বিক্ষোভ। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় বচসা-ধস্তাধস্তি। অশান্তির জেরে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে স্ট্র্যান্ড রোড। ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাওড়াগামী সারি সারি বাস আটকে পড়ে জ্যামে। ভোগান্তির শিকার হন নিত্যযাত্রীরা।
প্রসঙ্গত, গতকাল কমিশনের দপ্তরে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যাগ ভর্তি ফর্ম সিক্স নিয়ে ঢোকার অভিযোগ উঠেছিল। তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। তুমুল বিক্ষোভের মাঝেই কমিশনের তরফে জানানো হয়, যে কোনও ব্যক্তি তাঁর দাবি নিয়ে আসতেই পারেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হয়। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয় তাঁকে। তৃণমূলের তরফেও মামলা রুজু হয়। বুধবার ফের সেই ইস্যুতে কমিশনের বাইরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। বাংলার ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটারদের নাম ঢোকানোর প্রতিবাদে SUCI-এর বিক্ষোভের জেরে স্ট্র্যান্ড রোডের একাংশে জারি করা হয় ১৬৩ ধারা। মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।
