ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা কর্মিসভায় গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন প্রত্যেকটি মানুষের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কথা। একবার নয়, তিনবার করে যেতে হবে। শুধু ভবানীপুর নয়, রাজ্যজুড়ে ভোটারদের মন বুঝতে এবং জনসংযোগ সতেজ রাখতে ভোটের (Assembly Election 2026) মুখে বিধানসভাভিত্তিক তিন দফা কর্মসূচি সাজাল তৃণমূল কংগ্রেস।
শুধু ভবানীপুর নয়, রাজ্যজুড়ে ভোটারদের মন বুঝতে এবং জনসংযোগ সতেজ রাখতে ভোটের মুখে বিধানসভাভিত্তিক তিন দফা কর্মসূচি সাজাল তৃণমূল কংগ্রেস।
ঠিক হয়েছে প্রতিটি বিধানসভায় তৃণমূলের ছাত্র, যুব ও মহিলা টিম দলের প্রচারপত্র সঙ্গে করে প্রত্যেক ভোটারের বাড়ি যাবেন। সব মিলিয়ে প্রত্যেক বিধানসভার জন্য কমবেশি ১০০ জন করে থাকবেন একেকটি টিমে। তাঁরাই গোটা বিধানসভা দফায় দফায় ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ভোটারদের কাছে যাবেন। একবার যাবেন ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা, তার পর যুব, শেষে মহিলা সংগঠন। সঙ্গে থাকবেন বিধানসভার পর্যবেক্ষকরা। কী করবেন তাঁরা? কঠিন কোনও টাস্ক নয়!
মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুবসাথী, কর্মশ্রীর মতো সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যেকে পাচ্ছেন কি না, তার খবর নেবেন। তার পরেও বাড়িতে নির্দিষ্ট করে কারও কোনও সমস্যা বা ক্ষোভ আছে কি না, থাকলে তার সমাধানের উপায় বাতলে দেওয়ার কাজও করবেন তাঁরাই। বড় বা গুরুতর কোনও সমস্যা থাকলে রাজ্যস্তরে তা পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ছাত্র-যুবর পাশাপাশি মহিলারাও বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলবেন। প্রার্থীদের সঙ্গে যে টিম থাকবে, তারাও যেমন জনসংযোগ করবে, আলাদা করে এই ত্রিমুখী টিমও যাবে বাড়ি বাড়ি।
ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রাখার উদ্দেশ্যেই এই কর্মসূচি। যার পুঙ্খানুপুঙ্খ কৌশল সাজিয়ে জেলায় জেলায় দলের কর্মীরা ইতিমধ্যে নেমে পড়েছেন। কলকাতাতেও সেই জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে। গ্রামে বিধানসভাভিত্তিক এই টিম ঘুরবে ব্লক ব্লক ধরে, শহরের ক্ষেত্রে সেই টিম ঘুরবে প্রত্যেকটা ওয়ার্ড ধরে। লক্ষ্য প্রত্যেক বাড়ির প্রত্যেক ভোটার।
