শনিবার থেকে শুরু হল সিএবি প্রথম ডিভিশন লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব। সল্টলেকের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মাঠে মুখোমুখি হয়েছে ভবানীপুর এবং বড়িশা। ২২ ইয়ার্ডসের মাঠে কালীঘাট এবং ইস্টবেঙ্গল। দেশবন্ধু পার্কে মোহনবাগান এবং খিদিরপুর। এবং ডুমুরজলায় এরিয়ান বনাম টাউন ক্লাব। এরমধ্যে প্রথম তিনটে ম্যাচের প্রথম দিনটা ঠিকমতোই হল। কিন্তু স্থগিত করে দিতে হল চতুর্থ, অর্থাৎ এরিয়ান-টাউন ম্যাচ।
কারণ-ডুমুরজলায় নামবে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) হেলিকপ্টার! তাই ম্যাচ শুরু করা গেল না সেখানে। এদিন দুপুরে পূর্ব বর্ধমানে কর্মসূচি ছিল শাহর। এরপর বিকেলে হাওড়ায় র্যালি করেন তিনি। দুপুরের পর ডুমুরজলায় নামে শাহের হেলিকপ্টার। সেজন্য সকাল থেকেই মাঠের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় পুলিশের হাতে। যদিও বিষয়টি প্রাথমিক ভাবে জানতেই পারেনি দুই দল। বিশাল ভাটি, রাহুল প্রসাদের মতো বাংলা রনজি দলের ক্রিকেটার রয়েছেন দুই ক্লাবের স্কোয়াডে। তাঁরা ম্যাচ খেলার জন্য সাতসকালেই ডুমুরজলা চলে আসেন। মাঠে পৌঁছানোর পর তাঁরা জানতে পারেন, ম্যাচ হবে না।
সিএবি সূত্রে খবর, শাহের হেলিকপ্টার নামার বিষয়টি অনেকটাই রাতের দিকে জানানো হয়। যে জন্য আর ম্যাচের মাঠ বদল করা যায়নি। সিএবি টুর্নামেন্ট কমিটির প্রধান প্রদীপ দে বলছিলেন, "শুক্রবার রাত এগারোটার দিকে হেলিকপ্টার নামার খবর দেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে অবশ্য আজ সকালে জানতে পেরেছি। তখন আর মাঠ বদলের সুযোগ ছিল না। যদি কাল সকালেও আমাদের জানানো হত, তাহলেও ম্যাচটা অন্য মাঠে পাঠানোর একটা চেষ্টা করতাম। কিন্তু এত দেরিতে জানানোর ফলে ম্যাচটা হল না।"
হঠাৎ করে কোয়ার্টার ফাইনালের একটা ম্যাচ বাতিল হওয়ায় প্রতিযোগিতার পরবর্তী সূচিতেও পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে সিএবি। কারণ প্রাথমিকভাবে, একদিন পিছিয়ে রবিবার থেকে টালা পার্কে ম্যাচটা শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ভোটের ডিউটিতে যাবেন। সেক্ষেত্রে ২৮ এপ্রিল থেকে আর খেলতে পারবেন না তাঁরা। কোয়ার্টার ফাইনাল তিনদিনের ম্যাচ। রবিবার খেলা শুরু হলে তা চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত, যেদিন ভোটের ডিউটিতে যেতে হবে। তাই ভোটের পরই ম্যাচটা হবে বলে খবর। আর সবটাই হল শাহের হেলিকপ্টারের ধাক্কায়।
