বামফ্রন্ট-আইএসএফের জোট নিশ্চিত হতেই ফের আসরে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। এবার সিপিএমকে বামফ্রন্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসার ডাক দিলেন তিনি। জানালেন, বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করতে রাজি নন তিনি। তবে সিপিএম ও আইএসএফের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়তে চান হুমায়ুন। এই বার্তা দিয়ে নাকি ইতিমধ্যেই সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে মেসেজও করেছেন তিনি।
ভোটের আগে বাবরি মসজিদের নামে ভোট চাওয়া হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করে প্রবল বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। এই বৈঠককে ভালোভাবে নেয়নি দলের একাংশও। বামেরা আদর্শচ্যুত হয়েছে বলেও তোপ দেগেছে অনেকেই। যদিও সেই জোট-বৈঠক যে ইতিবাচক, এমন মন্তব্য একবারও করেনি আলিমুদ্দিন। পরবর্তীতে হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) নিজেই জানিয়েছিলেন তিনি বামেদের সঙ্গে জোট করবেন না। তখনও মুখে কুলুপ এঁটেছিল লালপার্টি। এদিকে আইএসএফের সঙ্গে বামেদের জোট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। নওশাদ সিদ্দিকি একাধিকবার চিঠি দিলেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছিল না বামেরা। ফলে জোট আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। যদিও মঙ্গলবার জানা গিয়েছে, ছাব্বিশেও আইএসএফের সঙ্গেই জোট বাঁধছে বামফ্রন্ট। তবে আসন রফা এখনও হয়নি।
হুমায়ুন জানিয়েছেন, মহম্মদ সেলিমকে নাকি মেসেজ পাঠিয়েছেন। তাঁর দাবি, ছাব্বিশের লড়াইয়ে সিপিএম ও আইএসএফকে সঙ্গে চান তিনি। তবে বামফ্রন্টের সঙ্গে জোটে নারাজ। অর্থাৎ শরিকদের ছেড়ে সিপিএমকে তাঁর হাত ধরার ডাক দিচ্ছেন হুমায়ুন।
এরপরই ফের নড়েচড়ে বসেছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি নিজেই জানিয়েছেন, মহম্মদ সেলিমকে নাকি মেসেজ পাঠিয়েছেন। তাঁর দাবি, ছাব্বিশের লড়াইয়ে সিপিএম ও আইএসএফকে সঙ্গে চান তিনি। তবে বামফ্রন্টের সঙ্গে জোটে নারাজ। অর্থাৎ শরিকদের ছেড়ে সিপিএমকে তাঁর হাত ধরার ডাক দিচ্ছেন হুমায়ুন। তিনি ৭ মার্চ পর্যন্ত সেলিমের উত্তরের অপেক্ষা করবেন বলেও জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে সিপিএমের নেতৃত্বে জোট বাঁধে একাধিক দল। তৈরি হয় বামফ্রন্ট। মূল শরিক আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক-সহ মোট ৭ টি দল। তারপর থেকেই প্রতিটি নির্বাচন একসঙ্গে লড়েছে তাঁরা। ছাব্বিশে পুরনো 'বন্ধু'দের সঙ্গেই সিপিএমের দূরত্ব বাড়াতে চাইছেন হুমায়ুন। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
