নতুন সরকার গঠনের আনন্দ নয়, এই মুহূর্তে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ঘিরে উত্তাল রাজ্য। আবারও ভোট পরবর্তী হিংসার কদর্য রূপ প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে রাজ্যবাসীকে। ভোটের ফলপ্রকাশের ঠিক দু'দিনের মাথায় নির্মমভাবে খুন হয়েছেন ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম আসনে জোড়া জয়ের স্বাদ পাওয়া, রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় তাঁকে গুলিতে ঝাঁজরা করে দিয়েছে আততায়ীরা। নিজের আপনজনের এহেন পরিণতিতে আক্ষেপের শেষ নেই শুভেন্দুর।
বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে চন্দ্রনাথের দেহ নিয়ে যখনও গাড়ি রওনা দেয় তাঁর বাড়ি চণ্ডীপুরের দিকে, সেসময় শুভেন্দু বলে ওঠেন, ‘‘আমি ভবানীপুর না জিতলে হয়তো ওকে খুন হতে হতো না। বিরোধী দলনেতা ছিলাম বলেই আমার পিএ হিসেবে ওকেও টার্গেট করেছিল।'' চন্দ্রনাথের পরিবারের প্রতি শুভেন্দুর আশ্বাস, খুনের ঘটনার চার্জশিট পেশ হবে, দোষীদের প্রত্যেকে উচিত শাস্তি পাবে।
বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে চন্দ্রনাথের দেহ নিয়ে যখনও গাড়ি রওনা দেয় তাঁর বাড়ি চণ্ডীপুরের দিকে, সেসময় শুভেন্দু বলে ওঠেন, ‘‘আমি ভবানীপুর না জিতলে হয়তো ওকে খুন হতে হতো না। বিরোধী দলনেতা ছিলাম বলেই আমার পিএ হিসেবে ওকেও টার্গেট করেছিল।'' চন্দ্রনাথের পরিবারের প্রতি শুভেন্দুর আশ্বাস, খুনের ঘটনার চার্জশিট পেশ হবে, দোষীদের প্রত্যেকে উচিত শাস্তি পাবে।
সোমবার ভোটের ফলপ্রকাশের দু’দিন পর বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় চন্দ্রনাথ রথকে পরপর গুলি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। চারটি গুলির মধ্যে তাঁর পেটে, বুকে ও মাথায় লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। শুটআউটের ঘটনায় আহত হন গাড়ির চালকও। রাত থেকেই এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে এই পরিস্থিতিতেও শুভেন্দু অধিকারী দলীয় কর্মীদের সংযত থাকার নির্দেশ দেন। বলেন, আইনি পথে এর মোকাবিলা করতে হবে।
ছেলের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার চণ্ডীপুরের বাড়িতে কান্নাকাটি করে চন্দ্রনাথের মা অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের প্রতিশোধ নিতেই ছেলেকে খুন করা হয়েছে। তবে তিনি দোষীদের ফাঁসি নয়, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চান বলে জানিয়েছেন।
ছেলের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার চণ্ডীপুরের বাড়িতে কান্নাকাটি করে চন্দ্রনাথের মা অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের প্রতিশোধ নিতেই ছেলেকে খুন করা হয়েছে। তবে তিনি দোষীদের ফাঁসি নয়, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চান বলে জানিয়েছেন। ঠিক সেই কথাই এবার প্রতিফলিত হল শুভেন্দুর বক্তব্যে। তিনিও বললেন, ভবানীপুরে না জিতলে হয়ত চন্দ্রনাথকে টার্গেট করা হতো না। গত ৮ বছর ধরে শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের কাজ করছেন চন্দ্রনাথ অর্থাৎ তৃণমূলেই থাকার সময় থেকে তাঁর সঙ্গে ছিলেন। তাঁর এহেন মর্মান্তিক পরিণতিতে শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে বড় ক্ষতির, তা বলাই বাহুল্য।
