বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া প্রথম দফায় শান্তিপূর্ণ ভোট (West Bengal Elections 2026) দেখেছে রাজ্যবাসী। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট রয়েছে। কলকাতা-সহ একাধিক 'হেভিওয়েট' আসনে ভোট হবে। দ্বিতীয়দফাতেও ভোট যাতে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ হয়, সেই লক্ষ্যেই এবার আরও কড়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। অতিরিক্ত আরও ১০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে বাংলায় পাঠানো হচ্ছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। শুধু তাই নয়, শনিবার রাতের মধ্যেই প্রথমদফার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দ্বিতীয় দফার এলাকায় পৌঁছানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এবার প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্র অর্থাৎ ২৯৪টি আসনেই একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে কমিশন। শুধু তাই নয়, প্রথম দফায় ১৫২ টি কেন্দ্রের জন্য ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে কমিশন। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় বেশিরভাগটাই ভোট রয়েছে শহরাঞ্চলে। আর তাই আরও পুলিশ পর্যবেক্ষক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, ভিন রাজ্য থেকে আরও ১০ জন অতিরিক্ত বাহিনীকে নিয়ে আসা হচ্ছে। কমিশন সূত্রে খবর, খুব দ্রুত তাঁদের দায়িত্ব বুঝে নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় বেশিরভাগটাই ভোট রয়েছে শহরাঞ্চলে। আর তাই আরও পুলিশ পর্যবেক্ষক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, ভিন রাজ্য থেকে আরও ১০ জন অতিরিক্ত বাহিনীকে নিয়ে আসা হচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, এবার দ্বিতীয়দফাতেও নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখছে কমিশন। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয়দফাতেও ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। আর তাই শনিবার রাতের মধ্যে প্রথম দফায় দায়িত্বে থাকা আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানদের দ্বিতীয় দফার এলাকায় পৌঁছনোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ভোট সামলাতে শুধু কলকাতায় থাকবে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অর্থাৎ ভোটের আগে ও ভোটের দিন শহরের প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্র তথা বুথ ও রাস্তায় থাকছে প্রায় ২২ হাজার আধা সামরিক বাহিনী। এছাড়াও প্রায় ১০ হাজার পুলিশ নামছে রাস্তায়। এদিকে, ভোটের সময় যাতে শহরে কোথাও ট্রাবল মঙ্গার বা দাগি দুষ্কৃতীরা গোলমাল করতে না পারে, সেজন্য তালিকা ধরে চলছে তল্লাশি। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু এরপরেও কোথাও কোনও খামতি রাখতে চাইছে না লালবাজার।
