রাজ্যের SIR পর্বের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা আগামী শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি তাতে ওই সময়সীমার মধ্যে ভোটার তালিকা তৈরির কাজ শেষ করা অসম্ভব। তবে সুপ্রিম নির্দেশ মেনে ২৮ তারিখ একটি তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। সেটি চূড়ান্ত হলেও পূর্ণাঙ্গ নয়। পরে ধাপে ধাপে আরও তালিকা প্রকাশ করা হবে। এবং সেগুলিকেই চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া হবে।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ২৮ ফেব্রুয়ারি যে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে, সেটার পরই ভোট ঘোষণা করে দিতে কোনও বাধা থাকবে না কমিশনের। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের আগেই ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) ঘোষণা করা যায়। সেক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত যে তালিকা সবার শেষে বার হবে, সেটিকেই চূড়ান্ত তালিকা হিসাবে ধরা হবে। এবং সেই তালিকাতেই ভোট হবে।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের আগেই ভোট ঘোষণা করা যায়। সেক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত যে তালিকা সবার শেষে বার হবে, সেটিকেই চূড়ান্ত তালিকা হিসাবে ধরা হবে।
রাজ্যে খসড়া তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছিল। পূর্ণাঙ্গ চূড়ান্ত তালিকায় সংখ্যাটা অনেকটাই বাড়তে পারে। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলেও, এখনই ভোটারদের নাম বাদের হিসাব মিলবে না। মোট কত নাম বাদ যাচ্ছে, সেটা দেখার জন্য কমিশনের শুনানি পর্ব খতিয়ে দেখে মনোনয়নের আগে প্রকাশ করা শেষ তালিকার দিকে নজর রাখতে হবে। তবে কমিশনের দাবি, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশের আগেই ভোট ঘোষণা হতে পারে রাজ্যে।
আসলে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে অতিরিক্ত তালিকার কাজ শেষ করতে গেলে কমপক্ষে এক হাজার বিচারকের প্রয়োজন। ফলে বাইরের রাজ্য থেকে বিচারক নিয়ে এসে কাজ শেষ করতে হবে। এমনটাই মনে করছে কমিশন। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নাম তোলা যায়। তার আগেই অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব বলে মনে করছে কমিশন।
আবার মঙ্গলবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে এলে তুলকালাম বেধে যায় । বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি। বিরোধী দলনেতাকে জুতো দেখান বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভকারীরা নিজেদের তৃণমূলপন্থী বলে পরিচয় দেন। তাঁদের দাবি, দিনের পর দিন তাঁরা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে অবস্থান ও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ তাঁদের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, দফতরের দরজা বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারী সহজেই ভিতরে প্রবেশ করতে পারায় ক্ষোভ আরও বাড়ে। খবর পেয়ে, বিজেপির কর্মী সমর্থকরা সিইও দপ্তরের সামনে জমায়েত হলে উত্তেজনা আরো বাড়ে। তবে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকায় অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটেনি।
