রাজ্যে প্রথম দফায় বিপুল হারে ভোটদান (West Bengal Assembly Election 2026)। কোথাও কোথাও দু-একটা বিচ্ছিন্ন হিংসার ঘটনা বাদ দিলে মোটের উপর ভোট নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাররা শামিল হয়েছেন গণতন্ত্রের উৎসবে। যার ফলশ্রুতি ৯২.৭১ শতাংশ ভোটদান। দিনের শেষে কমিশন ওই তথ্যই জানিয়েছে। যদিও সংখ্যাটা আরও খানিকটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের হার
মোট ৯২.৭১
কোচবিহার ৯৫.৬৯
আলিপুরদুয়ার ৯২.৩৪
দার্জিলিং ৮৮.৭৫
কালিম্পঙ ৮৩.০৬
জলপাইগুড়ি ৯৪.৫২
উত্তর দিনাজপুর ৯৪.০৪
দক্ষিণ দিনাজপুর ৯৫.৩৯
মালদহ ৯৪.২১
মুর্শিদাবাদ ৯৩.৫৩
পশ্চিম বর্ধমান ৯০.২৯
পশ্চিম মেদিনীপুর ৯২.১৬
পূর্ব মেদিনীপুর ৯০.৯৭
ঝাড়গ্রাম ৯২.১১
পুরুলিয়া ৯০.৬৫
বাঁকুড়া ৯১.৯৬
বীরভূম ৯৪.৪৪
দিনের শেষে এটাও বলতে হয়, যে প্রথম দফার ভোটে অন্তত লেটার মার্কস পেয়ে পাশ করে গেল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের প্রায় ৪০ হাজার বুথের মধ্যে গুটিকয়েক বুথে নামমাত্র অশান্তির খবর বাদ দিলে বঙ্গ ভোটের প্রথমা সম্পূর্ণরূপে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ। এতটাই নির্বিঘ্নে ভোট হয়েছে যে এদিন মধ্যরাত পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক দল কমিশনের কাছে একটি বুথেও পুনর্নির্বাচনের দাবি জানায়নি।
এবার প্রতিটি বুথকে সুরক্ষিত করতে আলাদা করে পদক্ষেপ করেছিল নির্বাচন কমিশন। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ভোট কেন্দ্র থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার ছাড়া আর কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। চমকপ্রদ বিষয় হল, সেই টোটকা কাজ দিয়েছে। ভোটের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনওরকম অশান্তি বা অপ্রীতিকর কোনও ঘটনার অভিযোগ কমিশন পায়নি। এমনকী, কোনও বুথ থেকে কোনও এজেন্টকে তুলে দেওয়ার অভিযোগও আসেনি কমিশনের দপ্তরে। সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটে নজিরবিহীন সাফল্য দাবি করছে নির্বাচন কমিশন।
