বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের হুমায়ুন কবীরের দলে ভাঙন। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুর্বস্থলীর সভায় তৃণমূলে যোগ দিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাপতি পঙ্কজ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ ৩০০ কর্মী সমর্থক। তৃণমূলকে গদিচ্যুত করার হুঙ্কার দিয়ে হুমায়ুন দল ঘোষণা করেছিলেন। একের পর এক নেতা-কর্মীদের দলবদলই প্রমাণ করে দিচ্ছে যে ভোটের আগেই গুটি গুটি পায়ে পিছিয়ে পড়ছে তাঁর দল।
পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, মন্ত্রী সিদ্দিকুলা চৌধুরী দলের পতাকা তুলে দেন তাঁদের হাতে।
কয়েকমাস আগে হুমায়ুনের (Humayun Kabir) বিরুদ্ধে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, দলবিরোধী আচরণের অভিযোগ তুলে তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। তারপরই নিজের দল তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। কথা মতো দল তৈরি করেছেন তিনি। নাম আমজনতা উন্নয়ন পার্টি। ইতিমধ্যেই প্রতীকও পেয়ে গিয়েছে তাঁর দল। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মোট ১৮২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে আমজনতা উন্নয়ন পার্টি। ইতিমধ্যেই প্রচারে ঝাঁপিয়েছেন তাঁর প্রার্থীরা। এই পরিস্থিতিতেই পূর্ব বর্ধমানে আম জনতা উন্নয়ন পার্টিতে ভাঙন। দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাপতি পঙ্কজ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ ৩০০ কর্মী সমর্থক। মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিতিতে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, মন্ত্রী সিদ্দিকুলা চৌধুরী দলের পতাকা তুলে দেন তাঁদের হাতে।
দল ঘোষণার পরই বারবার তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করার ডাক দিয়েছেন হুমায়ুন। আইএসএফ, সিপিএম-সহ সমস্ত বিরোধী শক্তির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ার চেষ্টা করেছেন। শেষ পর্যন্ত পাশে পেয়েছেন শুধুমাত্র আসাদউদ্দিন ওয়েসির মিমকে। এই পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, ভোটের আগেই আমজনতা উন্নয়ন পার্টির ভাঙন যে হুমায়ুনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
