অবশেষে কাটল ফাঁড়া। বাড়ির মন্দির, বোদাগঞ্জে ভামরী দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে সোমবার সকালে মনোনয়ন জমা দিলেন রাজগঞ্জের তারকা তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মন। জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী এশিয়াডে সোনা জয়ী অ্যাথলিট। মনোনয়ন জমার পর আত্মত্যাগের কাহিনি শোনান তিনি।
স্বপ্না বলেন, "রাজগঞ্জের মানুষ আমাকে খুব ভালোবাসেন। কয়েকদিন ভোটপ্রচার তো করলাম। বাড়িতে যাচ্ছি। আপ্যায়ণে আমি আপ্লুত।" তিনি আরও বলেন, "আমি রাজগঞ্জের মেয়ে। আমার ব্যাকগ্রাউন্ড খেলাধুলোর। অনেক ত্যাগের পর মনোনয়ন দিলাম।"
স্বপ্না বলেন, "রাজগঞ্জের মানুষ আমাকে খুব ভালোবাসেন। কয়েকদিন ভোটপ্রচার তো করলাম। বাড়িতে যাচ্ছি। আপ্যায়ণে আমি আপ্লুত।" তিনি আরও বলেন, "আমি রাজগঞ্জের মেয়ে। আমার ব্যাকগ্রাউন্ড খেলাধুলোর। অনেক ত্যাগের পর মনোনয়ন দিলাম।"
উল্লেখ্য, মাসখানেক আগে সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন তৃণমূল কংগ্রেস যোগ দিয়েছিলেন। দলের তরফে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ কেন্দ্রে তাঁকে প্রার্থীও করা হয়। সেই নিয়ে চাঞ্চল্যও ছড়িয়েছিল। ওই কেন্দ্রের তৃণমূলের বিধায়ক খগেশ্বর রায় এবার টিকিট পাননি। সেই নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশও করেছিলেন তিনি। পরে নেতৃত্বদের সঙ্গে কথা বলে তিনি শান্ত হন। স্বপ্নার হয়ে জনসংযোগও শুরু করেন। এদিকে সমস্যায় পড়েন স্বপ্না। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে তিনি কর্মরত। ভোটে লড়ার জন্য রেলের চাকরি বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে কর্মক্ষেত্র থেকে স্বপ্না মাসখানেক আগে ছুটি নিয়েছিলেন। রেলের তরফে অভিযোগ, ছুটিতে থাকাকালীন স্বপ্না সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়েছিলেন।
তৃণমূল ভবনে দলের পতাকা হাতে স্বপ্না বর্মন। ফাইল ছবি
শুরু হয় আইনি জটিলতা। সরকারি চাকরি করলে কেউ ভোটে লড়তে পারেন না। তেমন হলে সেটি হবে, আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ! ফলে আইনি জটিলতা আরও গভীর হয়। স্বপ্নার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তোলে রেল। ভারতীয় রেলের তরফে ইস্তফা মঞ্জুর করলেও এনওসি নিয়ে তৈরি হয় টানাপোড়েন। রবিবার দিনভর টানাপোড়েনের পর সন্ধ্যার দিকে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়, স্বপ্নাকে 'নো ডিউস সার্টিফিকেট' দিয়ে দিয়েছে। সুতরাং প্রার্থী হওয়া নিয়ে জটিলতা কেটে যায়। আগামী ২৩ মে, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে ভোট। সেখানকার প্রার্থী হিসাবে শেষ দিনে মনোনয়ন জমা দিলেন স্বপ্না।
