আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) খাতড়ার সাতটি অঞ্চল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে জয়ী করতে পারলে তিন মাসের মধ্যে খাতড়াকে পুরসভা করার প্রতিশ্রুতি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। রানিবাঁধ বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী তনুশ্রী হাঁসদার সমর্থনে খাতড়া বাজারের খড়বন মোড় সংলগ্ন ফুটবল মাঠে আয়োজিত জনসভা থেকে এই ঘোষণা করেন তিনি। সম্প্রতি জয়গাঁকে পুরসভা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অভিষেক। এবার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে খাতড়ার জন্য সেই প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সভামঞ্চ থেকে উন্নয়নের বার্তা দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস পুনরায় ক্ষমতায় এলে রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে। বিশেষ করে জঙ্গলমহল অঞ্চলের উন্নয়নে আরও জোর দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘খাতড়ার সাতটি অঞ্চল থেকে আমাদের জয়ী করলে তিন মাসের মধ্যেই খাতড়াকে পুরসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’’
সভায় বিরোধী দল বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তৃণমূল নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, বিজেপি ভাঁওতাবাজি ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতির রাজনীতি করছে। এর বিপরীতে তৃণমূল কংগ্রেস ‘কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী’—এই বার্তাই তুলে ধরছে। এ দিন সভায় উপস্থিত থেকে অভিষেক গত কয়েক বছরে রানিবাঁধ বিধানসভা এলাকায় হওয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই এলাকায় ২৮ হাজারেরও বেশি যুবক-যুবতী ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন, যা স্থানীয় যুব সমাজের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী তনুশ্রী হাঁসদাকে বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান জানান অভিষেক। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, প্রার্থীকে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী করতে পারলে এলাকায় উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে। এছাড়াও সভা থেকে আরও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। জানানো হয়, চতুর্থবার তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে এবং তনুশ্রী হাঁসদা জয়ী হলে রানিবাঁধ এলাকায় দুটি আধুনিক হিমঘর নির্মাণ করা হবে। একটি সবজি ও ফল সংরক্ষণের জন্য এবং অন্যটি চিংড়ি মাছ সংরক্ষণের জন্য। এই ঘোষণাগুলিকে ঘিরে সভাস্থলে উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
সম্প্রতি, জয়গাঁকে পুরসভায় উন্নিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। ধূপগুড়ির নির্বাচনী সভা থেকে অভিষেক প্রতিশ্রুতি দেন, তৃণমূল সরকার তৈরির ৬ মাসের মধ্যে ধূপগুড়ি পুরসভার নির্বাচন সম্পন্ন হবে। এরপর জল সমস্যার সমাধান হবে।
