shono
Advertisement
Ghatal Master Plan

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরিতে ১ বছরের 'শাহী' ডেডলাইন, 'কেন্দ্র কিছুই জানে না', পালটা অভিষেকের

ফি বছর বর্ষায় প্লাবিত হয় ঘাটাল। ভোগান্তির শিকার হন গ্রামবাসীরা। ভোট আসলেই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান। আশ্বাস দেন রাজনীতির কারবারিরা। তবে আশ্বাস বাস্তবায়িত হয় না। যদিও বর্তমানে রাজ্য সরকারের তরফে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু হয়েছে।
Published By: Sayani SenPosted: 07:40 PM Apr 10, 2026Updated: 07:57 PM Apr 10, 2026

ফি বছর বর্ষায় প্লাবিত হয় ঘাটাল। ভোগান্তির শিকার হন গ্রামবাসীরা। ভোট আসলেই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান (Ghatal Master Plan)। আশ্বাস দেন রাজনীতির কারবারিরা। তবে আশ্বাস বাস্তবায়িত হয় না। যদিও বর্তমানে রাজ্য সরকারের তরফে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অমিত শাহের (Amit Shah) ডেবরায় নির্বাচনী প্রচারেও উঠল ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান প্রসঙ্গ।

Advertisement

অমিত শাহ বলেন, "নরেন্দ্র মোদীজি এই প্রকল্পের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। ৬০ শতাংশ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানকে আক্ষরিক অর্থে জঞ্জালে পরিণত করেছে।" পালটা অভিষেকের বক্তব্য, "উনি কিছু জানেন না।"

অমিত শাহ বলেন, "নরেন্দ্র মোদীজি এই প্রকল্পের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। ৬০ শতাংশ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানকে আক্ষরিক অর্থে জঞ্জালে পরিণত করেছে। আপনারা রাজ্যে বিজেপির সরকার আনুন, আমি কথা দিচ্ছি মাত্র এক বছরের মধ্যে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরি করে এই অঞ্চলের নিকাশি সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে দেব।" পালটা আবার এই ইস্যুতে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি বলেন, "ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান সম্পর্কে উনি জানেন না। রাজ্য টাকা দিয়েছে। সেটা জানতে হবে। খবর রাখে না কেন্দ্রীয় সরকার। আমি দেবের প্রচারে গিয়ে বলেছিলাম, কেন্দ্র না দিলে আমরা করব। অমিত শাহ সেটা জানেন না।"

উল্লেখ্য, ঘাটাল মূলত শীলাবতী, কংসাবতী এবং দ্বারকেশ্বর নদের শাখা নদী ঝুমির লীলাভূমি হিসাবে পরিচিত। তখনকার আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলস্বরূপ স্থানীয় ভূস্বামীরা এই নদীগুলির বন্যা ঠেকাতে সার্কিট বাঁধ দিয়ে নিজেদের জমিদারিতে নিচু এলাকাগুলিকে বন্যা থেকে বাঁচিয়ে আবাদি জমি বাড়ানোর উদ্যোগ নেন। সেই জমিদারি জমানা আর নেই। কিন্তু জমিদারি বাঁধগুলি আজও রয়ে গিয়েছে। এই জমিদারি বাঁধগুলি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে।

তার ফলে বাঁধগুলি ভেঙেই মূলত ঘাটাল এলাকায় বন্যা দেখা দেয় ফি বছর। উলটোদিকে জোয়ারের সঙ্গে আসা পলি নদী বাঁধ উপচে ছড়িয়ে পড়তে না পেরে নদীতেই জমতে থাকে পলি মাটি। ফলে নদীর জলধারণ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। আর ফি বছর বন্যা প্রবণতাও বাড়তে থাকে। এই সমস্যা মেটাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের ভাবনা। কেন্দ্রের আর্থিক বঞ্চনায় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হয়নি বলেই অভিযোগ। অবশেষে রাজ্য সরকারের টাকায় শুরু হয়েছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ। গত ৩ ফেব্রুয়ারি সিঙ্গুরের সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের শিলান্যাস করেছিলেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement