ছাব্বিশে বাংলা দখলে মরিয়া বিজেপি। তাই বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে প্রচারে ঝাঁপিয়েছেন মোদি-শাহ। শনিবার বাঁকুড়ার সভা থেকে ফের অনুপ্রবেশ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন অমিত শাহ। তাঁর সাফ কথা, ভারত ধর্মশালা নয় যে সকলকে আশ্রয় দেওয়া হবে। হুঙ্কার ছেড়ে বললেন. "বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের ধরে ধরে জেলে পাঠানো হবে।"
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সোচ্চার হন শাহ। বলেন, "অনুপ্রবেশকারীরা ভারতবাসীর বিপদ। আমাদের যুবকের চাকরি নিয়ে নিচ্ছে। গরিবের অন্ন নিয়ে যাচ্ছে। বাংলা আর একজন অনুপ্রবেশকারীকেও বরদাস্ত করবে না। ভারত ধর্মশালা নয়। আমাদের ভূমি। যারা কব্জা করেছে, তাদের আইনের মাধ্যমে জেলে পাঠাবে বিজেপি সরকার।"
শনিবার বাঁকুড়ায় জোড়া সভা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। প্রথমে ওন্দায় সভা করেন তিনি। দুর্গামন্দির, শিবমন্দিরকে প্রণাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন শাহ। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সোচ্চার হন তিনি। বলেন, "অনুপ্রবেশকারীরা ভারতবাসীর বিপদ। আমাদের যুবকের চাকরি নিয়ে নিচ্ছে। গরিবের অন্ন নিয়ে যাচ্ছে। বাংলা আর একজন অনুপ্রবেশকারীকেও বরদাস্ত করবে না। ভারত ধর্মশালা নয়। আমাদের ভূমি। যারা কব্জা করেছে, তাদের আইনের মাধ্যমে জেলে পাঠাবে বিজেপি সরকার।" আর জি কর-সন্দেশখালি খালি প্রসঙ্গ তুলে নারী নিরাপত্তা আশ্বাস দিলেন শাহ। বলেন, "এখানে মহিলাদের সুরক্ষা নেই। মমতাদিদি বলেন, ৭টার পরে মহিলাদের বাইরে যাওয়া উচিত নয়। অসমে দেখে আসুন, রাত একটায়ও মহিলারা বিয়েবাড়ি যান স্কুটিতে। কারও কিছু হয় না। বিজেপির সরকার গড়ে দিন, ২৪ ঘণ্টা সুরক্ষা দেব।"
কর্মসংস্থান ইস্যুতে এদিন ফের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন শাহ। তিনি বলেন, "মমতাদিদির সরকার ৭০০০ শিল্প ফেরত পাঠিয়েছে। বাংলায় কর্মসংস্থান নেই। একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট এখানে হবে, বিষ্ণুপুরে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি হবে। হিন্দু, মুসলিম, শিখ-সকলের জন্য এক নিয়ম হবে।" এদিন শাহের মুখে শোনা গেল আলুচাষী প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, "কৃষকরা ফসলের দাম পান না। বাংলার আলুচাষিরা বিপাকে। কথা দিচ্ছি, বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হলেই বাংলার আলু সারা ভারতে যাবে। আলুচাষিরা দাম পাবেন। আলুর বীজ পঞ্জাব থেকে থেকে আনতে হবে। এখানকার আলু সারা দেশে যাতে যায়, দেখব।" অর্থাৎ এদিনের সভা থেকে শাহ বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলেই তৈরি হবে সোনার বাংলা। যদিও তাঁর এই বক্তব্যকে বিঁধতে ছাড়েনি তৃণমূল।
