বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মেয়ে-সহ জেল খাটতে হয়েছে। বীরভূম জুড়ে জাল বিছিয়েছিল বিজেপি। তবে জনরায় বরাবর প্রতিফলিত হয়েছে তৃণমূলের ভোটবাক্সে। এবারও হবে। ছাব্বিশের নির্বাচনে এমনই 'কেষ্ট' বচনে সরগরম বীরভূমের ভোটপ্রচার। জেলার তৃণমূলের কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দাবি, তিনি দলকে ভালোবেসে এবারও বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) জেলার ১১টি আসনে জয় উপহার দিতে চান। বিধানসভা ভোটে 'খেলা হবে' দাওয়াইয়ে অনড় অনুব্রত বললেন, "চ্যালেঞ্জ করে সিপিএমকে তাড়িয়েছি। কংগ্রেসের নাম মুছে দিয়েছি। একই হাল হবে বিজেপিরও।"
অনুব্রতর কথায়, "বিজেপি জাল বিস্তার করেছিল। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিল। প্রত্যাখ্যান করায় মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকেও জেল খাটতে হয়েছে। আমি দলকে ভালোবাসি। সিপিএমকে জেলা থেকে তাড়িয়েছি। কংগ্রেসের অস্তিত্ব মুছে দিয়েছি। আগামী দিনে বিজেপিরও একই হাল হতে চলেছে।"
ভোটের প্রচার শুরু হতেই বিজেপিকে সবরকমভাবে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তাঁকে প্রায় আড়াই বছর জেলবন্দি থাকতে হয়েছে আসানসোল এবং তিহাড়ে। এর নেপথ্যে বিজেপিকে দায়ী করে তাঁর অভিযোগ, নিজে হাতে তৈরি করা দলীয় সংগঠন ভাঙার চেষ্টা করেছে বিজেপি। কিন্তু আদতে তাঁকে বন্দি রেখেও গোটা জেলায় সংগঠনের এতটুকু আঁচ পড়েনি। তার প্রমাণ পেয়েছে বিজেপি। কারণ, গত লোকসভা এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়লাভ করেছে তৃণমূল। আর জয়ের ধারাকে সম্বল করেই অনুব্রত মণ্ডল ভোট ঘোষণা হতেই হুঙ্কার ছাড়লেন বিরোধী বিজেপির উদ্দেশে।
অনুব্রতর কথায়, "বিজেপি জাল বিস্তার করেছিল। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিল। প্রত্যাখ্যান করায় মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকেও জেল খাটতে হয়েছে। আমি দলকে ভালোবাসি। সিপিএমকে জেলা থেকে তাড়িয়েছি। কংগ্রেসের অস্তিত্ব মুছে দিয়েছি। আগামী দিনে বিজেপিরও একই হাল হতে চলেছে।" তবে দলের সামান্য অন্তর্দ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করে অনুব্রত বলেন, "২০২১ সালে ১১টি বিধানসভার মধ্যে নিজেদের ভুলে দুবরাজপুর বিধানসভা হাতছাড়া হয়েছে। তবে ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ১১টি বিধানসভাতেই জয়লাভ করবে তৃণমূল। আমি নিজে সবকটি বিধানসভাতে প্রচারে জনসভায় জনসংযোগে মানুষের পাশে থাকব। এমনকি দলীয় প্রার্থী হাসন বিধানসভায় কাজল শেখের প্রচারেও সক্রিয়ভাবে অংশ নেব।" তিনি প্রত্যয়ী সুরে বলেন, "মানুষ কি এতই বোকা, আবার অন্ধকার নামিয়ে আনবে পশ্চিমবঙ্গে? ৩৪ বছর অন্ধকার দেখেছে। এসআইআর-সহ বঞ্চনার প্রতিবাদে জোড়াফুলের প্রতীক দেখেই মানুষ যোগ্য জবাব দেবেন। জেলার ১১টি বিধানসভাতেই জয়লাভ করবে তৃণমূল।"
