স্ট্রং রুমের নজরদারি নিয়ে গোটা রাজ্য উত্তালষ। 'স্ট্রং'-বিতর্কের মাঝেই বারাসতে বড় অভিযোগ। দীর্ঘক্ষণ স্ট্রংরুমের সিসিটিভি বন্ধ থাকার অভিযোগ তোলেন অশোকনগরের তৃণমূল প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী ও তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকালে থেকে উত্তেজনা চরমে। স্ট্রংরুমের বাইরে ছেয়ে যায় বাহিনী। স্ট্রংরুমে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায় বিজেপি কর্মীরা।
বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজে স্ট্রংরুমের সিসিটিভি দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকার অভিযোগ সামনে আসতেই ছুটে যান অশোকনগরের তৃণমূল প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী। জানা গিয়েছে, এই স্ট্রংরুমেই বারাসাত, হাবড়া, অশোকনগর, দেগঙ্গা-চারটি বিধানসভার ইভিএম রয়েছে। এই চার বিধানসভার গণনাকেন্দ্রও এটিই।
তৃণমূলের অভিযোগ, শুক্রবার সকালে বেশ কিছুক্ষণ সিসিটিভির মনিটর সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছিল। স্বাভাবিকভাবে ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরই সেখানে পৌঁছে যান অশোকনগরের তৃণমূল প্রার্থী। অন্যদিকে অভিযোগ পেতেই সেখানে আসেন বারাসতের এসডিপিও, এআরও। অশোকনগরের তৃণমূল প্রার্থীর অভিযোগ, "সকাল ৮টা ৫মিনিট থেকে ৮টা ২২ মিনিট পর্যন্ত সিসিটিভি বন্ধ ছিল। কেউ যদি মনিটর অফ করে দেয়, তাহলে কমিশনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল।"
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্ট্রং রুমের ভিতরে সিসিটিভি চলছিল। কেউ মনিটর অফ করে দিয়েছিল। এই ২২ মিনিটের ফুটেজ দেখাতে হবে বলে দাবি জানায় তৃণমূল। পাশাপাশি যে মনিটর অফ করেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। অন্যদিকে বিজেপির তরফেও অভিযোগ, তাঁদের স্ট্রংরুমে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। গোটা ঘটনা ঘিরে বারাসতের (Barasat) স্ট্রংরুমের সামনে পরিস্থিতি যথেষ্ট উত্তপ্ত ছিল শনিবার সকাল থেকে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বাহিনী।
