ছাব্বিশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ময়দানে নেমে পড়েছে সব রাজনৈতিক দল। ক্ষমতায় এলে আমজনতার উন্নয়নে কী কী করবেন, সেই প্রতিশ্রুতি শোনা যাচ্ছে সব দলের নেতাদের মুখে। এসবের মাঝেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ ক্ষততে মলম দেওয়ার চেষ্টা করল বিজেপি। পদ্মশিবিরের প্রতিশ্রুতি, তাঁরা ক্ষমতায় এলে নাকি ৪৫ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে সপ্তম পে কমিশন। যদিও এই আশ্বাসে ভোট বৈতরণী পার করা যাবে না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
সাধারণত ১০ বছর অন্তর কেন্দ্র ও রাজ্য পে কমিশন গঠন করে। রাজ্যে ষষ্ঠ পে কমিশের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। ফলত ১ জানুয়ারি থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। রাজ্য বাজেটেও পে কমিশনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তা কতদিনে কার্যকর হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। মনে করা হচ্ছে, কেন্দ্রের অষ্টম পে কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি তৈরি করা হবে।
সাধারণত ১০ বছর অন্তর কেন্দ্র ও রাজ্য পে কমিশন গঠন করে। রাজ্যে ষষ্ঠ পে কমিশের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। ফলত ১ জানুয়ারি থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। রাজ্য বাজেটেও পে কমিশনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তা কতদিনে কার্যকর হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। মনে করা হচ্ছে, কেন্দ্রের অষ্টম পে কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি তৈরি করা হবে। তবে বেতনবৃদ্ধির অঙ্ক নিয়েও চলছে জল্পনা। কারণ, পে কমিশনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো 'ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর'।
বিশেষজ্ঞদের মধ্যে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সামঞ্জস্য রাখলে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর থাকবে ২.৯১ থেকে ৩.১৫-এর মধ্যে। এর ফলে বর্তমানে যার বেসিক ১৮ হাজার টাকা, তা বেড়ে হতে পারে ৫২ হাজার থেকে ৫৬ হাজারের মধ্যে। ফলে সপ্তম পে কমিশন কার্যকর হলে যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ভাগ্য খুলবে তা বলাই বাহুল্য। আর সেই বিষয়টাকেই ভোটের মুখে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি।
