shono
Advertisement
Rolls-Royce

নাচ-গান, আবিরে শোভাযাত্রা, রোলস রয়েসে চেপে কলকাতার বাড়িতে লক্ষ্মী-নারায়ণ

চারদিন আগে ফাল্গুন মাসের দশমী তিথিতে বড়বাজারের কলাকার স্ট্রিটের সত্যনারায়ণ মন্দির থেকে রোলস রয়েসে চেপে হাওড়ায় সত্যনারায়ণের মন্দিরে এসেছিলেন সত্যনারায়ণ ও লক্ষ্মী। ঠিক যেভাবে এসেছিলেন, সেভাবেই বড়বাজারের মন্দিরে ফিরলেন তাঁরা। 
Published By: Subhankar PatraPosted: 03:34 PM Mar 02, 2026Updated: 03:34 PM Mar 02, 2026

অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও দোল ও হোলির রংয়ের শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে রোলস রয়েস ভিনটেজ গাড়িতে করে হাওড়া থেকে কলকাতার মন্দিরে ফিরলেন লক্ষ্মী-নারায়ণ। চারদিন আগে ফাল্গুন মাসের দশমী তিথিতে বড়বাজারের কলাকার স্ট্রিটের সত্যনারায়ণ মন্দির থেকে রোলস রয়েসে চেপে হাওড়ায় সত্যনারায়ণের মন্দিরে এসেছিলেন সত্যনারায়ণ ও লক্ষ্মী। ঠিক যেভাবে এসেছিলেন, সেভাবেই রবিবার বড়বাজারের মন্দিরে ফিরলেন তাঁরা।  এই শোভাযাত্রা ঘিরে দোলের আগে রবিবার কলকাতা ও হাওড়া যেন বৃন্দাবনের রূপ নিল! দুই শহরকে মিলিয়ে দিল এই রোলস রয়েস হোলি উৎসব। কীর্তন, নাচ, গান, আবিরের রংয়ে বর্ণাঢ্য হল শোভাযাত্রা।

Advertisement

প্রসঙ্গত, বিগত ১৪০ বছর ধরে দোলের আগে কলকাতা থেকে হাওড়ায় লক্ষ্মী-নারায়ণের এই শোভাযাত্রার ঐতিহ্য চলে আসছে। ভিনটেজ গাড়িতে করে শোভাযাত্রার সময় আপামর জনসাধারণও আগাম হোলি উৎসবে মাতেন। নারায়ণ ও লক্ষ্মীকে তাঁরা রাধা-কৃষ্ণ রূপে দেখেন। বিগ্রহকে রাধাকৃষ্ণ রূপেই সাজানো হয়। আর এই শোভাযাত্রার মাধ্যমেই দোল ও হোলির সূচনা হয়ে যায়।

এই নারায়ণ ও লক্ষ্মী কলকাতার বাগলা পরিবারের। বাগলা পরিবারেরই কলকাতার বাড়ির মন্দির থেকে হাওড়ায় বাড়ির মন্দিরে আসেন নারায়ণ ও লক্ষ্মী। চারদিন সেখানে থাকার পর নারায়ণ-লক্ষ্মী ফিরে যান কলকাতায়। বাগলা পরিবারের তরফে জানা যায়, তাঁদের পরিবারে তিনটি সত্যনারায়ণ ও লক্ষ্মীর জোড়া অষ্টধাতুর মূর্তি রয়েছে। এই তিনটি মূর্তির মধ্যে একটি রয়েছে কলকাতায়, একটি রয়েছে মায়ানমারে ও অপরটি রয়েছে বারাণসীতে। কলকাতার এই মূর্তি নিয়েই প্রত্যেক বছর ফাল্গুন মাসের দশমী তিথিতে হোলি খেলতে খেলতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে হাওড়ার বাড়ির মন্দিরে নিয়ে আসা হয় ও ফের কলকাতার বাড়ির মন্দিরে ফেরত পাঠানো হয়।

ভিনটেজ গাড়িটির ইতিহাস বলতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা জানান, রোলস রয়েস সিলভার ঘোস্ট ১৯২১ সালে তৈরি। একসময়ের বিখ্যাত লেখক রুডইয়ার্ড কিপলিং এই গাড়ির মালিক ছিলেন। ১৯২৭ সালে কলকাতার ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি কুমার গঙ্গাধর বাগলা গাড়িটি কিনে নেন। সেই থেকেই এই গাড়িতে চেপে নারায়ণ-লক্ষ্মী রাধা-কৃষ্ণ রূপে শোভাযাত্রায় শামিল হন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement