shono
Advertisement

Breaking News

West Bengal Assembly Election

হিংসামুক্ত ভোট করতে এবার পুলিশের উপর চাপ বাড়াল কমিশন, জারি একগুচ্ছ নির্দেশিকা

তাৎপর্যপূর্ণ হল, পুলিশের উদ্দেশে কমিশনের এই নির্দেশিকা জারি হল বাসন্তী থানার আইসি অভিজিৎ পালকে সাসপেন্ড করার পরই।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 10:16 PM Mar 27, 2026Updated: 10:16 PM Mar 27, 2026

বঙ্গে ছাব্বিশের ভোট হবে সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত, নির্বিঘ্নে। এই লক্ষ্যে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবারই এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেছিলেন, ''ভাঙড়-বেলডাঙা সব শান্ত হয়ে যাবে।'' বৃহস্পতিবার বাসন্তীতে বিজেপির প্রচার চলাকালীন ব্যাপক অশান্তির পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে থানার আইসি অভিজিফ পালকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার রেশ টেনে এবার নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের উপর চাপ বাড়াল কমিশন। শুক্রবার রাতেই মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর থেকে জারি হওয়া দুটি পৃথক নির্দেশিকায় থানার ওসি থেকে শুরু করে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক, ডিএসপি - সব স্তরের পুলিশ আধিকারিকদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কর্তব্য স্পষ্টভাবে বেঁধে দিল কমিশন। তাৎপর্যপূর্ণ হল, কমিশন এই পদক্ষেপ করল বাসন্তী থানার আইসি অভিজিৎ পালকে সাসপেন্ড করার পরপরই। অর্থাৎ থানার ওসি ও ডিএসপিদের উদ্দেশে এই বার্তাই স্পষ্ট, কপি-বুক মেনে চলুন, নইলে অভিজিতের মতোই অবস্থা হতে পারে।

Advertisement

সন্দেহভাজন দুষ্কৃতী, রাজনৈতিক সংঘর্ষে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার উপরও জোর দিয়েছে কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের অতীত ইতিহাস খতিয়ে দেখে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। একইসঙ্গে অবৈধ মদ বা অন্য বেআইনি কার্যকলাপ রুখতে গোয়েন্দা তথ্য ভাগ করে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রার্থীদের নিরাপত্তা, জনসভা, রোড শো, স্ট্রিট কর্নার সভাগুলিতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে -

  • নির্বাচন চলাকালীন কোনওরকম শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে না।
  • পূর্ববর্তী নির্বাচনের সময়ে নথিভুক্ত সমস্ত অপরাধমূলক মামলার তদন্ত দ্রুত সম্পূর্ণ করতে হবে।
  • পাশাপাশি সমস্ত জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে হবে এবং তা করতে হবে ১০ দিনের মধ্যে।
  • পলাতক আসামি ও ঘোষিত অপরাধীদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

শুধু তাই নয়, সন্দেহভাজন দুষ্কৃতী, রাজনৈতিক সংঘর্ষে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার উপরও জোর দিয়েছে কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের অতীত ইতিহাস খতিয়ে দেখে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। একইসঙ্গে অবৈধ মদ বা অন্য বেআইনি কার্যকলাপ রুখতে গোয়েন্দা তথ্য ভাগ করে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রার্থীদের নিরাপত্তা, জনসভা, রোড শো, স্ট্রিট কর্নার সভাগুলিতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হোটেল, লজ, ধর্মশালা ইত্যাদিতে নিয়মিত তল্লাশি চালিয়ে অপরাধী বা অসামাজিক উপাদানদের উপস্থিতি রুখতে বলা হয়েছে।

বহিরাগত উসকানি রুখতে রাজ্য ও আন্তঃজেলা সীমানায় ‘নাকা’ চেকিং ২৪ ঘণ্টা চালু রাখতে হবে এবং সিসিটিভি নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও সংযোগপথে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের কথাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, সাব-ডিভিশনাল ডিএসপি-দের উদ্দেশ্যে পাঠানো নির্দেশিকায় তদন্তের কাজ দ্রুত শেষ করে চার্জশিট জমা দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পলাতক আসামিদের ধরতে লুক আউট নোটিস জারি, প্যারোল জাম্পারদের তালিকা তৈরি এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানোর কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলা ও মহকুমার সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিয়মিত বৈঠক করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদানপ্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement