ছাব্বিশে রক্তপাতহীন ভোট (West Bengal Assembly Election) করতে নির্বাচন কমিশনের চেষ্টার অন্ত ছিল না। মাস দেড়েক আগে থেকে কার্যত দূর্গে পরিণত করা হয়েছিল গোটা রাজ্যকে। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দু'দফায় বিধানসভা ভোটগ্রহণ পর্ব দু-একটা বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবেই মিটেছে। রেকর্ড ভোট পড়েছে। তার জন্য কমিশনকেই কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছ। সেসব দেখে বেশ সন্তোষপ্রকাশ করেছে এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনের দপ্তর। রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল মনে করছেন, অশান্তি ছাড়া বঙ্গে একদফায় ভোট করা সম্ভব। তবে কি পরবর্তীতে এ রাজ্যে একদফাতেই ভোট হবে? এ প্রশ্নের অবশ্য সরাসরি কোনও জবাব দেননি তিনি।
আসলে বাংলার নির্বাচন রক্তাক্ত হয় - এই ধারণা থেকেই নিরাপত্তা এত কড়াকড়ি ছিল কমিশনের। তাতে অবশ্য দু'দিনের বুথে বুথে শান্তিপূর্ণ ভোটের ছবিই উঠে এসেছে। এতে সকলেই সন্তুষ্ট। এরপরই রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়ালের দাবি, অশান্তি ছাড়া রাজ্যে ভোট সম্ভব এবং তা একদফাতেই সম্ভব বলে মনে করছে কমিশন।
বঙ্গের ২৯৪ আসনে সাম্প্রতিককালে এক কিংবা দু'দফায় ভোট হয়েছে, এমনটা কেউ মনে করতে পারেন না। এর মাঝেও সবচেয়ে বেশি দফায় ভোটের সাক্ষী ছিল ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন। দেড়মাসে মোট সাতদিন ধরে ভোট হয়েছিল। ভোটদানের হার মোটামোটি ৮০ শতাংশের বেশি। এমনকী ২০২৪ লোকসভা ভোটে মাত্র ৪২ আসনেও সাতদফায় ভোট হয়। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন অবশ্য এসবের তুলনায় একেবারে ভিন্নভাবে হল। মাত্র ২ দফায় ২৯৪ আসনের ভোট শেষ। কম দিনে এত আসনে ভোট সুসম্পন্ন করতে কমিশন রীতিমতো ঘেরাটোপ তৈরি করে ফেলেছিল। মোতায়েন করা হয়েছিল সর্বোচ্চ সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী।
আসলে বাংলার নির্বাচন রক্তাক্ত হয় - এই ধারণা থেকেই নিরাপত্তা এত কড়াকড়ি ছিল কমিশনের। তাতে অবশ্য বুথে বুথে শান্তিপূর্ণ ভোটের (West Bengal Assembly Election) ছবিই উঠে এসেছে। এতে সকলেই সন্তুষ্ট। এরপরই রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়ালের দাবি, অশান্তি ছাড়া রাজ্যে ভোট সম্ভব এবং তা একদফাতেই সম্ভব বলে মনে করছে কমিশন। অন্তত ছাব্বিশের ভোট তারই প্রমাণ। তবে কি আর দীর্ঘ নির্বাচনী পর্ব দেখতে হবে না বঙ্গবাসীকে? এ প্রশ্নের উত্তর আপাতত কালের গর্ভে।
