প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে ভোটের নির্ঘণ্ট! আগামী মাসেই বাংলায় দু'দফায় নির্বাচন। চলছে জোর প্রচার। এর মধ্যেই সমাজমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন চন্দ্র বসু। তাঁর দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়া জীবনের ঐতিহাসিক ভুল ছিল। নেতাজির পরিবারের সদস্য চন্দ্র বসু রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সহ-সভাপতিও ছিলেন। কিন্তু ভোটের আগে তাঁর এহেন মন্তব্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রতি টুইটে চন্দ্র বসু লেখেন, বিজেপিতে যোগ জীবনের ঐতিহাসিক ভুল। নিজের ভুল বুঝতে পেরেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন। টুইটে আরও লেখেন, 'কোনও দলের উদ্দেশ্য যদি হয় নির্বাচনে জেতার জন্য ভোটারদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা, তবে তা আমার পক্ষে মানা সম্ভব নয়!' তিনি লিখেছেন, সাম্প্রদায়িকতা দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়া যায় না! জাতিকাঠামোকে রক্ষা করতে সকল সম্প্রদায়কে একতাবদ্ধ করার কথা বলার পাশাপাশি বিভেদ সৃষ্টিকারী শক্তিগুলিকে পরাজিত করতে জনগণকে একত্রিত হওয়ার ডাক দিয়েছেন। শেষে 'জয় হিন্দ' স্লোগান দিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করেছেন বসু।
তিনি লিখেছেন, সাম্প্রদায়িকতা দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়া যায় না! জাতিকাঠামোকে রক্ষা করতে সকল সম্প্রদায়কে একতাবদ্ধ করার কথা বলার পাশাপাশি বিভেদ সৃষ্টিকারী শক্তিগুলিকে পরাজিত করতে জনগণকে একত্রিত হওয়ার ডাক দিয়েছেন। শেষে 'জয় হিন্দ' স্লোগান দিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করেছেন বসু।
উল্লেখ্য, চন্দ্র বসুর সঙ্গে বিজেপি সম্পর্ক ছিল। বেশ কয়েক বছর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। দু'বার ভোটে প্রার্থীও হন। যদিও জয় অধরাই ছিল। পরে অবশ্য দলের সঙ্গে মতানৈক্য তৈরি হয় দূরত্ব। ২০২৩ সালে চন্দ্র বোস শীর্ষ নেতৃত্বকে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা করেন। এরপর একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে চন্দ্র বসুকে দেখা গিয়েছে। এমনকী তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রশংসাও শোনা গিয়েছে। জল্পনা তৈরি হয়, তাহলে এবার চন্দ্র বসু তৃণমূলে! যদিও কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেন। কিন্তু ভোটের আগে চন্দ্র বসুর এহেন টুইট বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
