বনগাঁ উত্তরের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়াকে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। বিজেপি প্রার্থীকে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল সমর্থকরা। পালটা স্লোগান দেন বিজেপির সমর্থকরাও। অবশেষে বনগাঁ থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, ৫০০ টাকার বিনিময়ে কয়েকজন মহিলাকে দিয়ে বিজেপির প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে রাজ্যের শাসকদলের অভিযোগ, তৃণমূলের প্রচার চলাকালীন পুলিশের একাংশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উপর চড়াও হন বিজেপির লোকজন। তাঁদের প্রচার কর্মসূচির কোনও অনুমতি ছিল না।
রবিবার সকালে বনগাঁ থানার সাহা পাড়া এলাকায় প্রচার করছিলেন বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া। সেই সময় তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক তাঁদের মিছিলে ঢুকে প্রচারে বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। অশোককে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা। পালটা স্লোগান তোলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। এই নিয়ে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে অশোক কীর্তনীয়ার অভিযোগ, ৫০০ টাকার বিনিময়ে কয়েকজন মহিলাকে দিয়ে এই কাজ করানো হয়েছে। গতকাল রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই টাকা বিলি করা হয়েছে। কাউন্সিলরের নেতৃত্বে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিজেপির প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে তৃণমূল। সব বাধা অতিক্রম করে তিনি এলাকায় প্রচার করেছেন বলে দাবি অশোকের। তাঁর কথায়, "বদলও হবে, বদলাও হবে।"
এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস বলেন, "পঞ্চায়েতের সদস্য হওয়ার যোগ্যতাও যাঁর নেই তাঁর মুখে বড় বড় কথা মানায় না। অশোক কী বললেন তাতে কিছু যায় আসে না। পাঁচ বছরের অপদার্থ একজন বিধায়ক। বনগাঁর মানুষের ভোট নিয়ে তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন। একজন অবৈধ বিধায়ক কী বলছেন তাতে কিছু যায় আসে না।" বিজেপির প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে বিশ্বজিৎ জানান, রবিবার অনুমতি ছাড়াই কর্মী সমর্থকদের নিয়ে প্রচার করছিলেন অশোক কীর্তনিয়া। সেই সময় তাঁরা তৃণমূলের কয়েকজন কর্মীর উপর চড়াও হন।
