মঙ্গলবার প্রকাশিত হল ষষ্ঠ সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা। আগের তালিকাগুলির মতো এবারও কত ভোটারের নাম যোগ বা বিয়োজন হয়েছে, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি। তবে কমিশন সূত্রে খবর, এই তালিকায় আড়াই লক্ষ ভোটারের নিষ্পত্তি হয়েছে। তা ধরলে ৪৭ লক্ষ ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে গেল। বাকি থাকল ১৩ লক্ষ ভোটার। এই গতিতে কাজ চলতে থাকলে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার আগেই ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হতে পারে।
এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, বিচারাধীনের তালিকায় ছিলেন ৬০ লক্ষ। এই অবস্থায় 'বিচারাধীন'দের নিষ্পত্তি করে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এ দিনের তথ্য অনুযায়ী ৬০ লক্ষ বিচারাধীনের মধ্যে প্রায় ৪৭ লক্ষের তথ্য যাচাই হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৩ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন। তাঁদের নিষ্পত্তির পরই জানা যাবে, বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা ঠিক কত। কতজনই বা চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেলেন। কমিশন সূত্রে খবর, বাকি ১৩ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে খুব দ্রুত। তারপরও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁরা বিশেষ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন। ইতিমধ্যেই আবেদন প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এদিকে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়ায় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষদের একটা অংশের মধ্যে। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পাহাড়ের এই ইস্যুতে ক্ষোভের আগুন দানা বেঁধেছে।
উল্লেখ্য, প্রথম দফায় রাজ্যের ১৫২ আসনে ভোট ২৩ এপ্রিল। মনোনয়নের শেষ দিন ৬ এপ্রিল। ওইদিন পর্যন্ত ১৫২ টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় যতজনের নাম থাকবে, তাঁরাই ভোট দেওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। অন্যদিকে, যে ১৪২ আসনে ভোট দ্বিতীয় দফা অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল, সেখানে মনোনয়নের শেষ দিন ৯ এপ্রিল। ততদিন পর্যন্ত যাঁদের নাম থাকবে, তাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। অর্থাৎ ৯ এপ্রিল সামগ্রিকভাবে জানা যাবে এসআইআরের পর এই মুহূর্তে রাজ্যের ভোটার সংখ্যা কত।
