বঙ্গে বিধানসভা ভোটের (Bengal Election 2026) উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), বিজেপির রাজ্য সম্পাদক শমীক ভট্টাচার্যদের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! পুলিশ-প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা এই কাজ করছেন! এমনই মারাত্মক অভিযোগ বিজেপির তরফে করা হয়েছে। এই অভিযোগ-সহ একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। আজ, মঙ্গলবার রাজ্য সিইও দপ্তরে শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারীরা অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলেন।
ভোটের প্রচারে ভবানীপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রামেও দলের প্রচারে থাকছেন। রাজ্যের বিভিন্ন অংশে প্রচারে যাচ্ছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতিও বিধানসভা নির্বাচন আবহে একাধিক কর্মসূচিতে রয়েছেন। এই আবহে এবার গুরুতর অভিযোগ তোলা হল শুভেন্দুদের তরফে। রাজ্য প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্তাদের একাংশ তাঁদের ফোন ট্র্যাক করছেন! এমন মারাত্মক অভিযোগ করা হয়েছে। এসটিএফের জাভেদ শামিম, আইবি-র বিনীত গোয়েলদের নাম করে অভিযোগ করা হয়েছে, শুভেন্দু, শমীক-সহ বিজেপির একাধিক মণ্ডল সভাপতি, বিজেপি নেতাদের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! এই বিষয়ে তথ্য-প্রমাণও তাঁদের কাছে আছে বলে দাবি।
এই বিষয়ে সিআইডি, আইবি, এসটিএফ, ডিরেক্টর অব সিকিউরিটিতে কমিশনকে হস্তক্ষেপ করতে হবে। এমনই দাবি করেছেন শুভেন্দু, শমীকরা। শুধু তাই নয়, জেলার একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিক কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ। জঙ্গিপুরের এসপি মেহেদি হাসান, পশ্চিম মেদিনীপুরের এসপি পলাশ ঢালি নির্বাচন কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন বলে শুভেন্দুদের (Suvendu Adhikari) অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি মনোজ ভর্মার বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের নেতাদের আগের মতোই সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে! কীভাবে সব রাস্তা বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে কষ্টের মধ্যে ফেলা হচ্ছে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু।
শুভেন্দুদের এই অভিযোগ নিয়ে পালটা বলেছে তৃণমূল। দলের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার জানিয়েছেন, "বিজেপি হতাশ ও পরাজয়ের আশঙ্কায় ম্রিয়মান যে বিপক্ষের অধিনায়ক মাঠে খেলতে নামতে না পারে সেই চেষ্টা করছে। এগুলো আর কিছুই নয়, পরাজয়ের আশঙ্কা। পেগাসাস আছে অমিত শাহের কাছে। এখন নিজেরা যে দোষ করেন, সেটা নিয়েই অন্যায়, মিথ্যা অভিযোগ করছে।"
