নির্বাচনী কাজের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বিধানসভার বাসের চালক ও খালাসিরা ভোট দিতে পারবেন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাঁদের ভোটদানের ব্যবস্থা করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রায় ১৫০০ বাস ও মিনিবাস নির্বাচন কাজে নিয়োজিত থাকবে। নির্বাচনের কাজে প্রায় ৫ হাজার বাসকর্মী সরাসরি যুক্ত থাকবেন। বলেই খবর কমিশন সূত্রে। ভোটের (Bengal Election 2026) দিন ডিউটির কারণে তাঁরা যাতে নিজেদের কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন না। ফলে সমস্যায় পড়েন তাঁরা। সেই কারণেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য গাড়ির মালিক ও সংগঠনগুলিকে নিকটবর্তী পাবলিক ভেহিকেলস ডিপার্টমেন্ট (পিভিডি) অফিস থেকে ফর্ম ১২ সংগ্রহ করতে হবে। তা সংশ্লিষ্ট চালক ও খালাসিদের মধ্যে বিলি করতে হবে। সেই ফর্ম যথাযথভাবে পূরণ করে জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন দপ্তরে। সঙ্গে জমা দিতে হবে ভোটার কার্ডের প্রতিলিপি, গাড়ির মালিকের ঘোষণাপত্র ও গাড়ি রিকুইজিশনের কপিও।
কমিশন সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, আগামী ১৩ এপ্রিলের মধ্যে সমস্ত নথি-সহ এই ফর্ম ১২ জমা দিতে হবে। যদিও বাস মালিকদের একাংশ এই সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানাতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই বাস মালিক সংগঠনগুলির তরফে রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের কাছে এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল। তাঁদের দাবি ছিল, নির্বাচন ডিউটিতে থাকা বাসকর্মীদের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কমিশন সেই দাবি মেনেই এই ব্যবস্থা নিয়েছে বলেই অনুমান।
অন্যদিকে, ট্রাইব্যুনাল অফিস অর্থাৎ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিবাসে পরিকাঠামো তৈরির কাজও প্রায় শেষ বলে খবর। ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে যুক্ত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের আর্জি ছিল ১০০ উপর কম্পিউটার দেওয়া হোক! আরও প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরির কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা। এক সপ্তাহের মধ্যেই পূর্তদপ্তর সেই কাজ শেষ করেছে। সেই মোতাবেক বিচারপতিদের জানানো হয়। বিচারপতিদের একাংশ রবিবার ওই ভবনে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। সব ঠিক থাকলে ওই ভবন ঘুরে এলে তারপরই শুরু হতে পারে ট্রাইব্যুনালের কাজ।
