shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election 2026

উত্তরে আইআইটি-আইআইএম-এইমস! বিজেপির ইস্তেহারে পাহাড় সমস্যার 'স্থায়ী সমাধানে'র আশ্বাসও

২০১৯ লোকসভা থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের তুলনায় উত্তরে ভালো ফল করেছে গেরুয়া শিবির। নিজেদের সেই 'গড়ে' মাটি শক্ত করতে উত্তরবঙ্গ নিয়ে নিজেদের সংকল্পপত্রে গুচ্ছ গুচ্ছ ঘোষণা করে দিল বিজেপি।
Published By: Subhajit MandalPosted: 02:22 PM Apr 10, 2026Updated: 04:32 PM Apr 10, 2026

উত্তরবঙ্গ। গত কয়েকটি নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) বিজেপির 'গড়' হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৯ লোকসভা থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের তুলনায় উত্তরে ভালো ফল করেছে গেরুয়া শিবির। নিজেদের সেই 'গড়ে' মাটি শক্ত করতে উত্তরবঙ্গ নিয়ে নিজেদের সংকল্পপত্রে গুচ্ছ গুচ্ছ ঘোষণা করে দিল বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শুক্রবার গেরুয়া শিবিরের ইস্তেহার প্রকাশ করলেন। তাতে উত্তরবঙ্গের জন্য বিশেষ পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

Advertisement

পাহাড় সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করে আসেছে বিজেপি। অতীতের একাধিক নির্বাচনে সেটার সুবিধাও বিজেপি পেয়েছে। কিন্তু পাহাড়বাসীর দাবি নিয়ে স্থায়ী কোনও সমাধান এখনও করে উঠতে পারেনি গেরুয়া শিবির। অবশেষে বিজেপির ইস্তেহারে পাহাড়ের স্থায়ী সাংবিধানিক সমাধানের আশ্বাস মিলল? অমিত শাহ ঘোষণা করলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সাংবিধানিক সমাধান হবে। তাহলে কি বিমল গুরুংদের ফের বাংলা ভাগে উসকানি দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা? অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বাংলা ভাগের প্রশ্ন নেই। বাংলার ঐক্যকে অক্ষুণ্ণ রেখেই পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। কিন্তু সেটা কীভাবে? তা নিয়ে রোডম্যাপ নেই। একই সঙ্গে রাজবংশী এবং আদিবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবিকে স্বীকৃতি দিতে, কুড়মালি এবং রাজবংশী ভাষাকে অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় পরিকাঠামো খাত থেকে শুরু করে যাবতীয় ক্ষেত্রে উত্তর বঞ্চিত। বিশেষ করে রায়গঞ্জের এইমসের দাবি বহু পুরনো। সেই অভিযোগ দূর করতে বিজেপির সংকল্পপত্রে ঘোষণা, ক্ষমতায় এলে উত্তরে একযোগে আইআইটি, আইআইএম এবং এইমস তৈরি হবে। 'বোনাস' একটি ক্যানসার হাসপাতাল। অমিত শাহ এদিন জানিয়েছেন, প্রতিটি সংস্থা আলাদা আলাদা জেলায় পরিকাঠামো দেখে হবে। শাহ জানিয়েছেন, "চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বিশেষ বন্দোবস্ত করা হবে। আগামী ১ বছরের মধ্যে চা বাগানের উন্নতি হবে। দার্জিলিংয়ে চা-কে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে বোর্ড গঠন হবে।"

বস্তুত, বিজেপির ইস্তেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি উত্তরবঙ্গবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিফলন। এখানেই প্রশ্ন হচ্ছে, এতদিন ধরে উত্তরে একাধিক সাংসদ, কেন্দ্রে সরকার, একাধিক বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও এই দাবিগুলি পূরণে কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি কেন? তাছাড়া রাজ্যের শাসকদলের অভিযোগ, পাহাড় সমস্যার সমাধানে কোনও স্থায়ী উদ্যোগ তো নেওয়া হয়ইনি, উলটে উসকানি দেওয়া হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement