প্রথম দফার ভোট মিটতে ইভিএম এখন স্ট্রংরুমে। বাইরে কড়া পাহারা নিরাপত্তা রক্ষীদের। ইভিএমের নিরাপত্তায় রাজনৈতিক দলগুলিও বাড়তি সতর্কতায়। নিজেদের উদ্যোগে স্ট্রংরুমের বাইরে সিসিটিভি বসিয়ে নজরদারি কংগ্রেস ও তৃণমূল। সিপিএমও একই ভূমিকায়। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি নির্বাচন কমিশনের উপর আস্থা নেই?
জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি, ডোমকল ও রানিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম রাখা হয়েছে ডোমকল গার্লস কলেজের স্ট্রং রুমে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে কড়া নিরাপত্তা ও প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবুও কিছু প্রার্থীর মধ্যে সংশয় থাকায় তাঁরা পৃথকভাবে নজরদারির ব্যবস্থা নিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস দুই দলের প্রার্থীরাই শুক্রবার থেকেই নিজেদের উদ্যোগে স্ট্রংরুমের চারপাশে সিসিটিভি বসিয়েছে। শুধু ক্যামেরা বসানোই নয়, পালা করে দলীয় কর্মীদের বসিয়ে রাখা হচ্ছে এলাকায়। সর্বক্ষণ নজরদারি চলছে এলাকায়। ক্যামেরার ডিসপ্লে মনিটরের মাধ্যমে স্ট্রংরুমের আশপাশে কারা যাতায়াত করছেন, কোনও সন্দেহজনক গতিবিধি হচ্ছে কি না, সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এজন্য স্ট্রংরুমের বাইরে নির্দিষ্ট দূরত্বে অস্থায়ী টেন্ট তৈরি করা হয়েছে। সেখানে রাখা হয়েছে টিভি মনিটর, হার্ডডিস্ক-সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, যাতে সিসিটিভি ফুটেজ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায়। ফলে দিন-রাত নজরদারি চালানো সম্ভব হচ্ছে বলে দাবি দলগুলির। রানিনগরের তৃণমূল প্রার্থী সৌমিক হোসেন বলেন, “আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাই না। তাই সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি কর্মীদের পালা করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নজরদারির জন্য।” একই সুর শোনা গিয়েছে রানিনগরের কংগ্রেস প্রার্থী জুলফিকার আলির কথাতেও। তাঁর দাবি, তাঁদের পক্ষ থেকেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ডোমকলের সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তাঁরাও আজ, শনিবার থেকে সিসিটিভি ও কর্মী মোতায়েনের ব্যবস্থা করছেন। সব মিলিয়ে ইভিএমের নিরাপত্তা ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির এই অতিরিক্ত উদ্যোগে ডোমকলে নজরদারি আরও জোরদার হয়েছে।
