ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজ্য যেন কমিশনের 'দুর্গে' পরিণত হয়েছে। বাংলার ১০০ শতাংশ বুথকেই স্পর্শকাতর ধরে এগোতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ১০০% স্পর্শকাতর বুথের মধ্যেই থাকছে অতি স্পর্শকাতর এবং অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথও। কোথাও কোনও অশান্তি রুখতে প্রতি ১০টি বুথ পিছু থাকছে একটি করে ক্যুইক রেসপন্স টিমের গাড়ি রাখছে কমিশন। যে গাড়িগুলোর মাথায় লাগানো থাকবে ক্যামেরা। লাইভ ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে সবকিছুই নজরবন্দি হবে নির্বাচন কমিশনের অফিসে।
বাংলার ১০০ শতাংশ বুথকেই স্পর্শকাতর ধরে এগোতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ১০০% স্পর্শকাতর বুথের মধ্যেই থাকছে অতি স্পর্শকাতর এবং অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথও। কোথাও কোনও অশান্তি রুখতে প্রতি ১০টি বুথ পিছু থাকছে একটি করে ক্যুইক রেসপন্স টিমের গাড়ি রাখছে কমিশন। যে গাড়িগুলোর মাথায় লাগানো থাকবে ক্যামেরা। লাইভ ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে সবকিছুই নজরবন্দি হবে নির্বাচন কমিশনের অফিসে।
এমনিতেই বাংলার ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও রক্তপাতহীন করার লক্ষ্যে বহু আগে, মার্চের শুরু থেকে এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এবার রেকর্ড সংখ্যক বাহিনীর পাহারায় ভোট হতে চলেছে। শুধু তাই নয়, ভোটের ফলপ্রকাশের পরও বাহিনী থাকবে রাজ্যে। ভোট পরবর্তী হিংসা আটকাতে কমিশনের এই পদক্ষেপ। ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় রুট মার্চ ও টহলদারি চলছে বাহিনীর জওয়ানদের। কেবল তাই নয়, প্রায় সব এলাকা নিজেদের দখলে এনে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে গোটা রাজ্যের সব এলাকা নজরবন্দি করে ফেলেছে নিজেদের সার্ভারে। এমত অবস্থায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জেলা সফরে বেরিয়ে আবারও সবাইকেই মনে করিয়ে দিলেন নির্বাচন কমিশনের দেওয়া গাইডলাইন। নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইনের বাইরে কোনও কিছুই বরদাস্ত করা হবে না বলেই বীরভূমে গিয়ে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল। এত ব্যবস্থার মাঝে রাজ্যে সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কমিশন কতটা সক্ষম হয়, সেটাই এখন শুধু দেখার অপেক্ষা।
