বিধানসভা ভোটের আগে শাসকদল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজের আলাদা রাজনৈতিক দল খুলেছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ভোটে দাগ কাটতে হলে যে নিজের এককশক্তিতে তা সম্ভব নয়, তাও দ্রুতই বুঝে গিয়েছেন। আর তাই তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধীদের জোটে টানতে মরিয়া ভরতপুরের বিধায়ক। নিজের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির তরফে দু'দফায় প্রার্থী ঘোষণার পরও হুমায়ুন কবীর সিপিএম, আইএসএফের মতামতের জন্য আরও খানিকটা সময় নিচ্ছেন। ১০ মার্চ পর্যন্ত জোটের সময়সীমা দিয়েছিলেন। এবার তা ১৫ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হল বলে শনিবার নিজেই ঘোষণা করলেন।
শনিবার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর মালদহ জেলার চারটি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেন। সুজাপুর কেন্দ্র থেকে এজিইউপি-র প্রার্থী হচ্ছেন মহম্মদ নাসিমুল হক, রতুয়া কেন্দ্রে রয়েল ইসলাম, মালতিপুর কেন্দ্রে আবু মিন্নাত শেখ ও মানিকচক কেন্দ্রে সইদুর রহমান। এদিন হুমায়ুন জানান, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সঙ্গে ছোট কয়েকটি দল মিলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মোট ১৮২ আসনে লড়াই করবে।
শনিবার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর মালদহ জেলার চারটি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেন। সুজাপুর কেন্দ্র থেকে এজিইউপি-র প্রার্থী হচ্ছেন মহম্মদ নাসিমুল হক, রতুয়া কেন্দ্রে রয়েল ইসলাম, মালতিপুর কেন্দ্রে আবু মিন্নাত শেখ ও মানিকচক কেন্দ্রে সইদুর রহমান।
এর আগে প্রথম দফায় আম জনতা উন্নয়ন পার্টির ন'জন প্রার্থীর ঘোষণা করা হয়েছিল। আর শনিবার দ্বিতীয় দফায় মালদহ জেলার চারটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হল। হুমায়ুন বলেন, ‘‘আইএসএফ ও সিপিএমের সঙ্গে জোট নিয়ে ১০ মার্চ সেই দিন ঘোষণা করা হয়েছিল। আজ আমরা তাদের জন্য ১৫ মার্চ পর্যন্ত জোট নিয়ে শেষ সিদ্ধান্তের জানালাম। তারা এগিয়ে না এলে আমরা আমাদের মতো সর্বশক্তি দিয়ে ১৮২ টি আসনে লড়াই করব।'' এদিকে, হুমায়ুনের দলের সঙ্গে জোট নিয়ে সিপিএমও বিশেষ কোনও উচ্চবাচ্য করছে না। তারা নওশাদ সিদ্দিকির আইএসএফের সঙ্গে জোট ঘোষণা করে দিয়েছে। তবে শেষমেশ কী হয়, তার জন্য ১৫ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।
