কড়া রোদ হোক বা মেঘলা আকাশ। ত্বক বাঁচাতে সানস্ক্রিনের ব্যবহার এখন দস্তুর। জেল্লা ধরে রাখতে এর জুড়ি মেলা ভার। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল প্রসাধন মাখলেই হবে না। জানতে হবে সঠিক পদ্ধতিও। অধিকাংশ মানুষই সানস্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনটি মারাত্মক ভুল করে থাকেন। যার ফলে অজান্তেই ত্বকের ক্ষতি হয়ে যায়। অকাল বার্ধক্য থেকে ট্যান এমন বেশকিছু ত্বকের সমস্যা দেখা যায়। ঠিক কোন ভুলের জন্য ভুগতে হয় এমন ত্বকের সমস্যায়?
ছবি: সংগৃহীত
ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম ভুলটি হল সানস্ক্রিনের অপর্যাপ্ত ব্যবহার। অনেকেই ময়েশ্চারাইজারের মতো সামান্য সানস্ক্রিন মুখে ঘষে নেন। এতে কোনও লাভ হয় না। সঠিক সুরক্ষার জন্য ‘টু ফিঙ্গার রুল’ মেনে চলা জরুরি। অর্থাৎ তর্জনী এবং মধ্যমার দৈর্ঘ্য বরাবর সানস্ক্রিন নিয়ে পুরো মুখ ও গলায় মাখতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ সানস্ক্রিন ত্বকের ওপর একটি বর্ম তৈরি করে, যা অতিবেগুনি রশ্মিকে আটকাতে সক্ষম।
ছবি: সংগৃহীত
দ্বিতীয়ত, একবার মেখেই সারা দিন নিশ্চিন্ত থাকবেন না। ঘাম, ধুলোবালি বা তেলের সংস্পর্শে সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা দুই থেকে তিন ঘণ্টার বেশি টেকে না। তাই দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকলে প্রতি চার ঘণ্টা অন্তর পুনরায় সানস্ক্রিন লাগানো প্রয়োজন। বাড়ির ভেতরে থাকলেও সানস্ক্রিন বাদ দেওয়া চলবে না। জানলা দিয়ে আসা সূর্যের ছটা কিংবা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের নীল আলো থেকেও ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
ছবি: সংগৃহীত
তৃতীয় ভুলটি হল মেঘলা দিনে সানস্ক্রিন না মাখা। রোদের তেজ নেই বলে সানস্ক্রিন এড়িয়ে চললে বিপদ বাড়তে পারে। কারণ, মেঘ ভেদ করেও অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি ত্বকে এসে পোঁছোয়। এছাড়া যাঁদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাঁদের ক্ষেত্রে এসপিএফ ৩০-এর উপরের সানস্ক্রিন বেছে নেওয়া ভালো। মনে রাখবেন, কেবল দামি প্রসাধন নয়, সঠিক নিয়ম মেনে চললে তবেই মিলবে কাঙ্ক্ষিত ফল। অন্যথায় সানবার্ন বা পিগমেন্টেশনের সমস্যা পিছু ছাড়বে না। ত্বকের যত্নে তাই এই সাধারণ সাবধানতাগুলি মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন।
