অবশেষে আবেদনে সাড়া। বিজেপিতে যোগ দিলেন কামদুনির প্রতিবাদী মুখ টুম্পা কয়াল (Tumpa Koyal Joins BJP)। রবিবার সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের হাত থেকে গেরুয়া শিবিরের পতাকা নেন তিনি। এবার কি ভোটযুদ্ধেও লড়বেন টুম্পা, স্বাভাবিকভাবেই উঠছে প্রশ্ন। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, তিনি প্রার্থী হবেন। যদিও বিজেপির তরফে এখনও এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
টুম্পা কয়াল বলেন, "২০১৩ সাল থেকে বিজেপি আমাদের সঙ্গে ছিল। কলকাতা হাই কোর্টে যখন আমরা নিরাশ হয়েছিলাম তখন বিজেপি দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টে যেতে সাহায্য করেছিল। রাজ্যে নারীসুরক্ষা এবং দুর্নীতি দমনে বিজেপিই সেরা।"
গত ২০১৩ সালে কলেজ ছাত্রী গণধর্ষণ কাণ্ডের জেরে শিরোনামে আসে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনি। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজ্য। সেই কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল ও মৌসুমী কয়াল। রাজনীতি ছাড়া আন্দোলন করা অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার বলে জানিয়েছিলেন প্রতিবাদী টুম্পা কয়াল। সে কারণেই তিনি রাজনীতির ময়দানে পা রাখতে চান বলেই আগে জানিয়েছিলেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে সেকথা জানিয়েছিলেন তিনি। গত ২২ মার্চ সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে বেশ কিছুক্ষণ কথাও হয় তাঁদের। এরপর রবিবার বিজেপিতে যোগদান।
এদিন পদ্মশিবিরের পতাকা হাতে নিয়ে টুম্পা কয়াল বলেন, "২০১৩ সাল থেকে বিজেপি আমাদের সঙ্গে ছিল। কলকাতা হাই কোর্টে যখন আমরা নিরাশ হয়েছিলাম তখন বিজেপি দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টে যেতে সাহায্য করেছিল। রাজ্যে নারীসুরক্ষা এবং দুর্নীতি দমনে বিজেপিই সেরা।" শোনা যাচ্ছে, টুম্পাকে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি। কোন কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন তিনি, সে বিষয়ে অবশ্য এখনও কিছুই জানানো হয়নি। এসবের পর দলের অন্দরেই প্রশ্ন, বাইরে থেকে আসা সদস্যদের নিয়ে এত বাড়াবাড়ি কেন? কেনই বা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠন করে আসা নেতা, কর্মীদের দল গুরুত্ব দিতে নারাজ? বঙ্গ বিজেপি কি এই কারণেই বারবার পিছিয়ে পড়ছে? এই প্রশ্নও উঠছে।
