shono
Advertisement
Mamata Banerjee

'ভোটের পর স্ট্রং রুমে নজর রাখুন', নন্দীগ্রামে লোডশেডিংয়ের কথা মনে করিয়ে সতর্কবার্তা মমতার

রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভায় 'ভোট মিটলেই বাড়ি চলে না যাওয়ার' পরামর্শ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
Published By: Sayani SenPosted: 09:42 PM Mar 22, 2026Updated: 09:46 PM Mar 22, 2026

ভোটের পর স্ট্রং রুমে বিশেষ নজর দিন। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভায় পরামর্শ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামের কথা উল্লেখ করে দলীয় কর্মীদের আগেভাগেই সতর্ক করলেন তিনি। মমতার কথায়, "এখন থেকেই সতর্ক থাকুন। ভোট শেষ মানেই বাড়ি চলে যাবেন না। লোডশেডিং করে দিতে পারে। স্ট্রং রুমে নজর রাখতে হবে।"

Advertisement

চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চের কর্মিসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র

মমতার কথায়, "এখন থেকেই সতর্ক থাকুন। ভোট শেষ মানেই বাড়ি চলে যাবেন না। লোডশেডিং করে দিতে পারে। স্ট্রং রুমে নজর রাখতে হবে।"

এই পরামর্শ মনে করিয়ে দেয় গত ২ মে, ২০২১ সালের কথা। ওইদিন জোরকদমে চলছিল নির্বাচনের ভোট গণনা। গোটা বাংলার নজর তখন নন্দীগ্রাম আসনের দিকে। শুভেন্দু আধিকারীর বিরুদ্ধে গণনায় এগিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’, তৃণমূল সদস্য-সমর্থকদের মুখে ক্রমেই প্রকট হচ্ছে সেই ধ্বনি। কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতন। বয়াল বুথে হঠাৎই লোডশেডিং। বদলে গেল যাবতীয় গণনার অঙ্ক। গণনা শেষে দেখা গেল, ‘দিদি’ নয়, নন্দীগ্রামের বিধায়ক হয়ে গেলেন ‘দাদা’। সেই ভোট কারচুপির জল গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় তাই বাড়তি সতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আচমকা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। দল ও প্রশাসনের যাবতীয় পদ ছেড়ে তিনি যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বাংলা দখলের লড়াইয়ে কার্যত প্রধান মুখ হয়ে উঠেছিলেন সেই শুভেন্দুই। ‘দিদি’-সম প্রাক্তন নেত্রীকে গদিচ্যুত করার ডাক দিয়েছিলেন। তবে জয় নিয়ে শুভেন্দুর যে কিছুটা শঙ্কা ছিল, তা বলাই বাহুল্য। সেই কারণেই আসন হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন চেনা মাটি নন্দীগ্রামকে। এদিকে নাছোড়বান্দা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নন্দীগ্রাম তাঁর হাতের তালুর মতো চেনা। তাই ভবানীপুর ছেড়ে শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামের মাটিতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি লড়াই করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের মাটি থেকেই তৃণমূল সুপ্রিমোর গর্জন ছিল, ‘ভাঙা পায়ে খেলা হবে।’ এবার ভবানীপুরে একুশের পুরনাবৃত্তি দেখবে রাজ্যবাসী। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement