shono
Advertisement
Mamata Banerjee

'ভোটের পরেও সঙ্গে রাখুন ভোটার স্লিপ', কীসের ইঙ্গিত দিলেন মমতা?

প্রথম দফার ১৫২ আসনে প্রায় ৯২ শতাংশ ভোটদানের হার নিয়েও মুখ খোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Published By: Sayani SenPosted: 09:15 PM Apr 24, 2026Updated: 09:15 PM Apr 24, 2026

বাংলায় প্রথম দফার ভোট মিটেছে সদ্য। এখনও নজর দ্বিতীয় দফায়। আর ঠিক তার আগেই ভোটার স্লিপ নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা বললেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শুক্রবার হাওড়ার জনসভা থেকে মমতা বলেন, "আপনাদের যাঁদের নাম আছে ভোটার লিস্টে ভোট দিয়ে ভোটার স্লিপ সঙ্গে রেখে দেবেন। এদের আমি করি না।"

Advertisement

বলে রাখা ভালো, ছাব্বিশের নির্বাচনে একাধিক নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে কমিশন। ভোটার স্লিপের ক্ষেত্রেও নিয়মে বদল এনেছে। প্রথম দফায় ১৫২ বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটাররা ইতিমধ্যে সেই ভোটার স্লিপের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। বাকিদেরও বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ভোটার স্লিপ। এবার আর কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা নন, বাড়িতে ভোটার স্লিপ পৌঁছনোর দায়িত্বে বিএলও-রা। আর সেই ভোটার স্লিপেই রয়েছে সমস্ত তথ্য। তাই ভোটার স্লিপ গুছিয়ে রাখার পরামর্শ মমতার।

এদিকে, আবার অবিশ্বাস্যভাবে প্রথম দফার ১৫২ আসনে ভোট পড়ল প্রায় ৯২ শতাংশ। যা বাংলার তো বটেই, ভারতীয় রাজনীতিতেই ইতিহাস। রাজ্যের ১৬টি জেলাতেই মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে, উৎসবের আবহে ভোট দিয়েছেন। শুক্রবার প্রচার সভার মঞ্চ থেকে রেকর্ড সংখ্যক ভোট নিয়েও মন্তব্য করেন তৃণমূলনেত্রী। তিনি বলেন, "অধিকার রক্ষার জন্য এত ভোট। এটা এসআইআরের অত্যাচারের ফল।" এখন প্রশ্ন হল, এই বিপুল ভোটবৃদ্ধি কী ইঙ্গিত করে? একটা বহু পুরনো তত্ত্ব ভোট বিশারদরা আউড়ে থাকেন। সেটা হল, প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া থাকলে বেশি ভোট পড়ে। তেমন হলে রাজ্যে পোয়াবারো হতে পারে বিজেপির। কিন্তু সম্প্রতি একাধিক নির্বাচনে সেই মিথ ভেঙেচুরে গিয়েছে।

যার সর্বশেষ উদাহরণ বিহারের নির্বাচন। সেখানে ভোটের হার অনেকটা বাড়া সত্ত্বেও সরকারের বিরুদ্ধে ভোট পড়েনি। বরং আরও বেশি আসন নিয়ে নীতীশ কুমার সরকার গড়েছেন। সম্প্রতি আরও একাধিক নির্বাচনে এই ট্রেন্ড দেখা গিয়েছে। তবে একটা তত্ত্ব সর্বজনবিদিত। বেশি ভোটের নির্বাচন সাধারণত কোনও ‘ওয়েভের’ বা বড় ঝড়ের ইঙ্গিত দেয়। সেটা শাসকের পক্ষেও হতে পারে বিপক্ষেও। বাংলায় এবারের নির্বাচনে ভোটবৃদ্ধির কারণ যেহেতু এসআইআর, সেক্ষেত্রে এসআইআর-এর বিরোধিতাও ভোটবাক্সে প্রভাব ফেলতে পারে। আর সেটা হলে কিন্তু শেষ হাসি হাসতে পারে তৃণমূল। আপাতত দুই শিবিরই কিন্তু জয়ের দাবি করছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement