ইভিএমে কারচুপি হতে পারে, এই আশঙ্কা করে বৃহস্পতিবার বিকেলে ভিডিও বার্তায় প্রার্থীদের স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। প্রার্থী হিসেবে ৮ টা নাগাদ নিজে পৌঁছে গিয়েছিলেন শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল অর্থাৎ স্ট্রংরুমে। ৪ ঘণ্টা পর রাত ১২ টা বেজে ৭ মিনিটে বের হন তিনি। জানালেন, "প্রার্থী বা এজেন্টের মধ্যে একজন উপরে থাকতে পারবেন। সংবাদমাধ্যমের জন্যও একটা সিসিটিভির কথা বলেছি।" হুঙ্কার ছেড়ে বললেন, "গণনায় কারচুপির পরিকল্পনা করলে বরদাস্ত করব না।" রাজ্য পুলিশ দায়িত্ব পালন না করলে তা কমিশনের ব্যর্থতা বলেও মন্তব্য করলেন মমতা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কর্মী ও রাজ্যবাসীর জন্য ভিডিওবার্তা প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানান, তৃণমূলই সরকার গড়বে, কারও চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে বিজেপি যে গণনায় কারচুপির চেষ্টা করবে, তা নিয়ে মোটের উপর নিশ্চিত তৃণমূল সুপ্রিমো। তাই প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ইভিএম পাহারা দিতে হবে। আমার এলাকায় পাহারা দেব আমি। ২৯৪ আসনের প্রার্থীরা নিজে পাহারা দিন। রাত জেগে থাকুন। আমি যদি পারি, আপনারাও পারবেন। কারণ, গণনাকেন্দ্রে ইভিএম নিয়ে যাওয়ার সময় তা বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।” এরপর রাত ৮ টা নাগাদ বৃষ্টি মাথায় শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে পৌঁছে যান তিনি। ৪ ঘণ্টা সেখানেই ছিলেন। ঘড়ির কাঁটায় ঠিক ১২ টা বেজে ৭ মিনিটে বের হন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ জানালেন, কারচুপির অভিযোগ পেয়েই ছুটে গিয়েছিলেন তিনি।
বেরিয়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বলেন, "স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। কারচুপির চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কোনও অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না।" এরপরই গাড়িতে স্কুল চত্বর ছেড়ে বাড়ির পথে রওনা দিলেন মমতা। জানিয়েছেন, তাঁদের তরফে একজন রয়েছেন স্ট্রংরুম পাহারায়। তবে এখনও স্কুলের বাইরে রয়েছেন তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।
