রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করার লক্ষ্য কি শুধুই জনসেবা নাকি ভোটের ময়দানে প্রার্থী হওয়া? এই প্রশ্ন ইদানিং যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে (WB Assembly Election 2026) এমন অনেককেই প্রার্থী হতে দেখা গিয়েছে, যাঁরা সবেমাত্র দলবদল করেই নির্বাচনের টিকিট পেয়েছেন। আবার দু,একজন দলবদল করেছেন কর্মী হিসেবে কাজ করবেন বলে। বৃহস্পতিবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন আরও একজন। নবগ্রামের বিদায়ী বিধায়ক কানাইচন্দ্র মণ্ডল। সল্টলেকে রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে পতাকা নিয়ে যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। এখন দেখার, বিজেপি তাঁকে কোনও আসনে টিকিট দেয় কি না।
কানাইচন্দ্র মণ্ডল নবগ্রামের দোর্দণ্ডপ্রতাপ সিপিএম নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। লোকাল কমিটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন অনেকদিন। ২০১৬ সালে ভোটে জিতে বিধায়কও হয়েছিলেন। পরে তৎকালীন তৃণমূল নেতা তথা বিধায়ক-মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে শাসক শিবিরে যোগ দেন। এরপর ২০২১ সালে তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধায়ক হন। কিন্তু ২০২৬ সালে আর তাঁকে প্রার্থী করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।
কানাইচন্দ্র মণ্ডল নবগ্রামের দোর্দণ্ডপ্রতাপ সিপিএম নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। লোকাল কমিটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন অনেকদিন। ২০১৬ সালে ভোটে জিতে বিধায়কও হয়েছিলেন। পরে তৎকালীন তৃণমূল নেতা তথা বিধায়ক-মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে শাসক শিবিরে যোগ দেন। এরপর ২০২১ সালে তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধায়ক হন। কিন্তু ২০২৬ সালে আর তাঁকে প্রার্থী করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তাতেই ক্ষুব্ধ হন কানাইচন্দ্র মণ্ডল। এরপরই বিজেপিতে যোগদান।
বৃহস্পতিবার সল্টলেকে বিজেপির সদর কার্যালয়ে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে দলবদল করলেন কানাইচন্দ্র মণ্ডল। শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্যর হাত থেকে পতাকা গ্রহণ করেন। যদিও দলবদল নিয়ে কিছু বলেননি তিনি। মনে করা হচ্ছে, গেরুয়া শিবিরের টিকিট প্রত্যাশী তিনি। তবে এ ব্যাপারে বিদায়ী বিধায়ককে কোনও আশ্বাসও দেয়নি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
