নির্বাচনী প্রচার মঞ্চ থেকে সরাসরি বিজেপি প্রার্থী শৌভিক পাত্রকে তোপ দাগলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার তালডাংরায় সভা ছিল। তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবুর সমর্থনে প্রচার করেন অভিষেক।
অভিষেকের খোঁচা, "আমরা যেসব পচা মাল ফেলে দিই, বিজেপি তাঁদের মাথার উপর বসায়। এখানের বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে আগে। একসময় আমাদের দলের ছাত্র সংগঠনে ছিল। আমরা পরে সরিয়ে দিই। আবর্জনাটাকে তুলে এনে প্রার্থী করেছে।"
তাঁর খোঁচা, "আমরা যেসব পচা মাল ফেলে দিই, বিজেপি তাঁদের মাথার উপর বসায়। এখানের বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে আগে। একসময় আমাদের দলের ছাত্র সংগঠনে ছিল। আমরা পরে সরিয়ে দিই। গত ৫ বছরে প্রতিদিন বিজেপি আমাদের অধিকারেরর টাকা কেড়ে নিয়েছে। আবর্জনাটাকে তুলে এনে প্রার্থী করেছে। যার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আছে। একদিকে শিক্ষক। আর অন্যদিকে চোর, চিটিংবাজ। ভালো লোকেরা বিজেপি করে না। আমরা যাদের বর্জন করেছি। ওরা তাদের গ্রহণ করেছি।"
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে জেতেন অরূপ চক্রবর্তী। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করে শাসক শিবির। এরপর তালডাংরা আসনে উপনির্বাচন হন। সেখানে প্রার্থী হন ফাল্গুনী সিংহবাবু। তিনি পেশায় শিক্ষক। সাংগঠনিক দক্ষতার নিরিখে তাঁকে ফের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। তাঁর জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী অভিষেক। তিনি বলেন, "আমাদের প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবুর পরিচিতি সকলে জানেন। তাঁর দক্ষতা, মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা সকলে দেখেছেন। তিনি ধাপে ধাপে সংগঠক থেকে ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি হয়েছেন। উপনির্বাচনে লড়ে প্রার্থীও হয়েছেন। এবার জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা।" জয়ের পর তালডাংরার উন্নয়নের আশ্বাসও দেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তাঁর কথায়, "তালডাংরার মানুষের দাবি অনুযায়ী, শিলাবতীর নদীর উপর ব্রিজ ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল করব। চারটি ব্লকে যেখানে ভোটে পিছিয়ে আছি, সেখানে জেতাতে হবে।" বলে রাখা ভালো, এবার তালডাংরায় একাধিক অভিযোগে বিদ্ধ বিজেপি প্রার্থী শৌভিক পাত্রের বিরুদ্ধে তৃণমূলের ফাল্গুনী সিংহবাবুর লড়াই। কে শেষ হাসি হাসেন, সেটাই এখন দেখার।
