বাঁকুড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা ঘিরে প্রকাশ্যে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল! প্রার্থীদের সমর্থনে মোদির মঞ্চে ছিলেন না দুই কেন্দ্রের প্রার্থী! জায়গা পাননি ওন্দার বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী অমর শাখা। নিচে থাকতে হল তাঁকে। এদিকে মোদির জনসভায় ছিলেনই না শালতোড়ার বিজেপির প্রার্থী চন্দনা বাউরি।
মোদির মঞ্চে উঠতে না পেরে সাংসদ সৌমত্র খাঁর বিরুদ্ধে 'মিসগাইডে'র অভিযোগ তুলেছেন ওন্দার বিজেপির প্রার্থী। অন্যদিকে চন্দনা বাউরি জানাচ্ছেন, সভায় উপস্থিত থাকার কোনও চিঠি পাননি। তবে আগে আসানসোলের সভায় তিনি ছিলেন। বর্তমানে বুথ প্রচার ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার সভা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি।
রবিবার বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় দিনের প্রথম সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে তাঁর প্রচার। জনতার সঙ্গে প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে, তাঁদের হয়ে ভোট চান মোদি। সেই মঞ্চেই বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী হয়ে মঞ্চে যাননি কেন? অমরকে এই প্রশ্ন করতেই তিনি সাংসদ সৌমিত্র খাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে জানান, তাঁকে ‘মিসগাইড’ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মঞ্চে ওঠার জন্য বারবার সৌমিত্র খাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁর তরফে কোনও সাহায্য মেলেনি। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা অন্য গেট দিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিল বলে তাঁর অভিযোগ। ফলে শেষ পর্যন্ত তাঁকে নিচেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
অন্যদিকে এই সভায় উপস্থিতই ছিলেন শালতোড়ার চন্দনা বাউরি। সভা শেষে বিদায়ী বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাঁর কাছে কোনও চিঠি আসেনি। এছাড়াও এলাকায় সভা করতে আসবেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। তা নিয়ে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন। এছাড়াও পাঁচটি বুথে এখনও প্রচার শেষ হয়নি বলে তিনি ব্যস্ত। এই কথা বলেই ফোন কেটে দেন তিনি। দলের একাংশের মতে, এত বড় সভায় প্রার্থী মঞ্চে উঠতে না পারা স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি বাড়াবে দলের। যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করলেন, সেখানে মঞ্চের দুই প্রার্থীর অনুপস্থিতি বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল সামনে নিয়ে এসেছে বলে মত রাজনৈতৈক মহলের।
