shono
Advertisement
NCPI

৪ বছর আগে আত্মপ্রকাশ, কাকলিদের সঙ্গী 'অস্তিত্বহীন' এনসিপিআই-এর অফিস বাংলাতেই!

ইতিমধ্যেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে সেই আর্জি জানিয়ে চিঠিও দিয়েছেন কাকলিরা।
Published By: Sayani SenPosted: 09:18 PM Jun 14, 2026Updated: 10:17 PM Jun 14, 2026

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে বছর চারেক আগে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয় এনসিপিআই। যার পুরো নাম ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া। অফিসও রয়েছে হাওড়ার বাঁকড়ায়। সেই পার্টিতেই নাম লেখাতে চলেছেন তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' সাংসদরা। ইতিমধ্যেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে সেই আর্জি জানিয়ে চিঠিও দিয়েছেন কাকলিরা।

Advertisement

গত ২০২২ সালের ১৩ অক্টোবর। ইংরেজি সংবাদপত্র 'মিলেনিয়াম পোস্ট' এবং হিন্দি পত্রিকা 'সমিজ্ঞা'তে বেরিয়েছিল বিজ্ঞপ্তি। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও নতুন দল আত্মপ্রকাশ করলে বিজ্ঞপ্তি দিতে হয়। উদ্দেশ্য একটাই, সকলকে ওই নতুন দলকে সম্পর্কে অবগত করা। সে কারণেই দুই ভাষার সংবাদপত্রে বেরয় বিজ্ঞপ্তি। ওই বিজ্ঞপ্তিতে 'ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি' সম্পর্কে প্রায় পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেওয়া ছিল। সেই অনুযায়ী, দলের কার্যালয় বিবরা। হোল্ডিং নম্বর ৪৭৯। গ্রাম নটপাড়া। পোস্ট অফিস এবং থানা হাওড়ার বাঁকড়া। যার পিন কোড নম্বর: ৭১১৪০৩। ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, যদি এই দল নিয়ে কারও কোনও আপত্তি থাকে তাহলে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে জানাতে হবে।

সংবাদপত্রে প্রকাশিত এনসিপিআই-এর বিজ্ঞপ্তি।

এই দলটি মূলত জনজাতিদের নিয়ে কাজ করে। কর্মক্ষেত্র অসম এবং ত্রিপুরা। তবে রাজনৈতিক মহলে তেমন ছাপ ফেলতে পারেনি দলটি। 'অস্তিত্বহীন' বললেও অত্যুক্তি নয়। যদিও গত ২০২৩ সালে একবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। কয়েকটি আসনে প্রার্থী দিলেও জয়ী হতে পারেনি। মূলত ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সাংসদ বিপ্লব দেবের সঙ্গে আলোচনা করার পর 'বিদ্রোহী' তৃণমূল সাংসদরা ত্রিপুরার এই দলকে সঙ্গী হিসাবে বেছে নেয় বলেই খবর।

গত ৪ মে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে বদলে গিয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণ। বেশিরভাগ তৃণমূল নেতৃত্বের গলায় বিদ্রোহের সুর। বিধানসভায় তৈরি হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন 'আসল তৃণমূল'। আবার লোকসভায় কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ জন সাংসদ এনডিএতে পৃথক ব্লকে শামিল হওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। তবে আইন বলছে, তৃণমূল একটিই দল। আলাদা করে কোনও সাংসদ কিংবা সাংসদদের একটি অংশ আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করে স্বীকৃতি দাবি করতে পারে না। এই মর্মে রবিবার বিকেলে 'মমতাপন্থী' সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এবং কীর্তি আজাদদের হাত দিয়ে একটি চিঠি লোকসভার স্পিকারের কাছে পাঠিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দল ভেঙে যে কোনওভাবে আলাদা গোষ্ঠী তৈরির সুযোগ নেই তা মনে করিয়ে দেন। এরপরই কৌশলী চাল চালেন 'বিদ্রোহী' সাংসদরা। এনসিপিআই-তে নাম লেখানোর আর্জি জানান তাঁরা। ভবিষ্যতে রাজনীতির জল কোনদিকে গড়ায় সেটাই এখন দেখার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement