ব্রিগেডে মোদির মঞ্চে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। থাকছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের ছবি। মঞ্চের দু'পাশে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাংলার বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্য-সংস্কৃতি। এতেই মনে করা হচ্ছে, তৃণমূল যে বারবার দাবি করে বিজেপি বাংলা ও বাঙালি বিরোধী, তা ভুল প্রমাণ করতে মরিয়া পদ্মশিবির। যদিও এতে বাঙালির মন গলবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ে বিজেপির একাংশই।
শনিবার সকালে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ব্রিগেডে প্রশাসনিক সভার পাশাপাশি জনসভা করবেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ১০ ফুট উচ্চতা ও ৮০ ফুট চওড়া এই মঞ্চের গোটাটাতেই রয়েছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। বাঙালি অস্মিতায় শান দিতে মঞ্চের ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখা হয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির। মঞ্চের প্রতিটি কোণায় থাকছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। বিষ্ণপুরের ঐতিহ্যবাহী টেরাকোটা থেকে পট-সহ নানা শিল্পকর্ম ফুটে উঠেছে মঞ্চে। থাকছে উত্তরবঙ্গের হাতি থেকে বিষ্ণুপুরের মন্দিরও। ওয়াকিবহল মহলের মতে, ছাব্বিশের আগে 'আমি তোমাদেরই লোক', বঙ্গবাসীকে এই বার্তা দিতেই এভাবে সাজানো হচ্ছে মোদির মঞ্চ। যদিও এতে আদৌ লাভ হবে কি? উত্তর মিলবে ভোটের ফলে।
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের তরফে বারবার দাবি করা হয়েছে, বিজেপি বাংলা বিরোধী, বাঙালি বিরোধী। বিজেপি বাঙালিদের সম্মান করে না, মেয়েদের সম্মান করে না, এই অভিযোগও ওঠে প্রতিদিন। সেই কারণেই কেন্দ্রের তরফে যাবতীয় প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা হয় বলে বহুবার অভিযোগ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।বাংলায় কথা বলায় ভিনরাজ্যে বাংলার শ্রমিকদের উপর অত্যাচারকে ছাব্বিশের নির্বাচনে হাতিয়ার করেছে তৃণমূল। এরই মাঝে মোদির মঞ্চের বাঙালিয়ানা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
