শীতলকুচির মতো ঘটনা কখনই বরদাস্ত নয়! পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই ছোটখাটো অশান্তি সামলাতে হবে। শুধু তাই নয়, প্রয়োজন ভোটারদের আস্থা অর্জনেরও। ফলত শুধু কাঁধের উপর আগ্নেয়াস্ত্র রেখে হেঁটে চলে গেলে চলবে না। কথা বলতে হবে ভোটারদের সঙ্গে। আশ্বস্ত করতে হবে তাঁদের। সেই কাজে ভাষা যাতে সমস্যা হয়ে না দাঁড়ায় তার জন্য রীতিমত কেন্দ্রীয় বাহিনীদের বাংলাভাষা আয়ত্ত করতে পরামর্শ জেলা প্রশাসনের। সবটা না হলেও অন্তত কাজ চালানোর মতো যেমন, 'চিন্তা করবেন না', 'সব ওকে আছে,' এমন কিছু শব্দ শিখে নেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর নোডাল অফিসারদের সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয় কোচবিহার জেলা প্রশাসনের। সেখানেই এই বিষয়টি নোডাল অফিসারদের পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, গত বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) সময় ঘটে যাওয়া শীতলকুচির জোরপাটকিতে গুলিকাণ্ডের পর এবার এই বিষয়ে আরও জোর দিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। প্রাথমিক ভাবে দৈনন্দিন ব্যবহারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাংলা শব্দ, বাক্য অন্তত শিখে নিতে বলা হচ্ছে ভিন রাজ্য থেকে আসা জওয়ানদের।
গত বিধানসভা নির্বাচনের সময় ঘটে যাওয়া শীতলকুচির জোরপাটকিতে গুলিকাণ্ডের পর এবার এই বিষয়ে আরও জোর দিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। প্রাথমিক ভাবে দৈনন্দিন ব্যবহারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাংলা শব্দ, বাক্য অন্তত শিখে নিতে বলা হচ্ছে ভিন রাজ্য থেকে আসা জওয়ানদের।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলায় গত বছরের তুলনায় এবার আরও বেশি সংখ্যায় প্রায় ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার কথা রয়েছে। তাদের যাতে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সেই রূপরেখা ইতিমধ্যে প্রশাসনিক আধিকারিকরা তৈরি করতে শুরু করেছেন।
কোচবিহারের জেলাশাসক জিতিন যাদব জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নোডাল অফিসারদের নিয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে রুটমার্চে আরও গুরুত্ব দিয়ে করানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া গত বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) হয়ে যাওয়া ঘটনার পর আগাম সর্তকতা অবলম্বন করে জোড়পাটকিতে স্থানীয় ভোটারদের ভয়ভীতি দূর করতে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেখানে ইতিমধ্যে অবজার্ভার কাজ করছেন।
বলে রাখা প্রয়োজন, ২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে শীতলকুচির জোরপাটকি এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে ভোটারদের বচসার ঘটনা ঘটে। শুধু তাই নয়, সামান্য বচসাকে কেন্দ্র করে চলে গুলিও। সেই ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়। তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। সেই ঘটনার এবার যাতে কোনওভাবেই পুনরাবৃত্তি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর কমিশনের।
