আর একদিন বাদেই ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের গণনা এবং ফলপ্রকাশ। ৪ মে, সোমবার ভোটগণনার আগে সমস্ত কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও 'সেকেন্ড-ইন-কমান্ড' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘণ্টা তিনেকের সেই ভারচুয়াল বৈঠকে একাধিক পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। ভাগ করে দেওয়া হয়েছে প্রত্যেকের দায়িত্ব। দলের নতুন মুখপাত্র, তরুণ নেতা প্রতীক উর রহমানকে ফের নয়া দায়িত্ব দেওয়া হল। বহরমপুরের কাউন্টিং অবজার্ভার বা গণনা পর্যবেক্ষক করে পাঠানো হচ্ছে প্রতীক উরকে (Pratik Ur Rahaman)। নিঃসন্দেহে এ এক বড় দায়িত্ব।
প্রতীকের পাশাপাশি দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মুখকে জেলায় জেলায় এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, গোটা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাউন্টিং অবজার্ভারের দায়িত্বে থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। এছাড়া ঘাটালেও সাংসদ দেবের সঙ্গে যৌথভাবে এই দায়িত্ব তাঁর। এছাড়া নন্দীগ্রামের মতো হাইভোল্টেজ কেন্দ্রকে ঘিরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার গণনা পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হচ্ছে সাংসদ সায়নী ঘোষ ও মুখপাত্র ঋজু দত্তকে।
ভোটের ঠিক আগেই লাল পার্টির তরুণ নেতা প্রতীক উর রহমান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। আমতলায় অভিষেকের পার্টি অফিসের সামনে হাতে ঘাসফুলের পতাকা নিয়ে প্রতীক উর জানিয়েছিলেন, প্রার্থী হওয়া তাঁর লক্ষ্য নয়, সবচেয়ে আগে দলের কাজ করতে চান। সেইমতোই তাঁকে কাজে লাগিয়েছে রাজ্যের শাসক শিবির। প্রথমে প্রতীক উরকে (Pratik Ur Rahaman) দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ভোটের সময় বিজেপির 'কারচুপি' নিয়ে দু, একবার সাংবাদিক বৈঠকে সরব হতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তরুণ নেতার যুক্তিনিষ্ঠ বক্তব্য প্রশংসিত হয়েছে। এবার আগামী ৪ মে, সোমবার রাজ্যে ভোটগণনার দিন প্রতীক উরকে নতুন দায়িত্ব দিল তৃণমূল। তাঁকে বহরমপুরের কাউন্টিং অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগ করেছে দল।
প্রতীকের পাশাপাশি দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মুখকে জেলায় জেলায় এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, গোটা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাউন্টিং অবজার্ভারের দায়িত্বে থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। এছাড়া ঘাটালেও সাংসদ দেবের সঙ্গে যৌথভাবে এই দায়িত্ব তাঁর। এছাড়া নন্দীগ্রামের মতো হাইভোল্টেজ কেন্দ্রকে ঘিরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার গণনা পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হচ্ছে সাংসদ সায়নী ঘোষ ও মুখপাত্র ঋজু দত্তকে। রানাঘাট ও হুগলি জেলার দায়িত্বে যথাক্রমে মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা উত্তরের কাউন্টিং অবজার্ভার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্ত, কুণাল ঘোষ। দক্ষিণ কলকাতার দায়িত্বে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস।
