পাহাড় হোক বা সমুদ্র। কিংবা গভীর অরণ্য। অনেকদিন বেড়ানো হয়নি? হাতে সময় রয়েছে। অথচ মন চঞ্চল! বেড়াতে যাওয়ার কথা ভাবলেই খরচের ভয়ে কম্পন শুরু হয়। হ্যাঁ, তা হয় বইকি! অনেকেরই হয়। ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে হোটেল, খাওয়াদাওয়া, ট্রান্সপোর্ট, সব মিলিয়ে বাজেট সামর্থ্যের বাইরে বেরিয়ে গেলেই এমন অবস্থা কম-বেশি সকলেরই হয়। সেকারণেই মাঝপথে ভেস্তে যায় পরিকল্পনা। কিংবা দূর ভ্রমণের ইচ্ছে স্থগিত রাখতে হয় মাঝপথেই। কিন্তু খুব সহজেই আপনি চাইলে এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। কীভাবে? একটু সচেতন হলেই কম খরচে সফর হবে আরামদায়ক।
ফাইল ছবি
আগেই গন্তব্য নয়, ঠিক করুন আপনার বাজেট। ভ্রমণের আগে দেখে নিন হাতে কত টাকা রয়েছে। কী বাজেট নিয়ে আপনি পথে পা রাখতে চাইছেন, তা জানা বেশি জরুরি। কোন হটেলে গিয়ে উঠবেন, কীভাবে যাতায়াত করবেন এসব আগেভাগেই ঠিক করে রাখুন। দর্শনীয় স্থানগুলো বেড়ানোর জন্য আলাদা ট্রান্সপোর্টের হিসেব আগে থেকে হিসেব করে রাখুন। নির্দিষ্ট জায়গা বেছে নিয়ে গাড়ি শেয়ার করে নিলে খরচা বাঁচে অনেকটা। এক্ষেত্রে দীর্ঘযাত্রাও এড়িয়ে যেতে পারেন। কাছের স্থানগুলো কম খরচে ঘুরে দেখলে সময় ও টাকা দুই বাঁচবে।
ফাইল ছবি
যতটা সম্ভব কম জিনিস ব্যাগে নিন। যেগুলি একান্ত প্রয়োজন সেগুলি ছাড়া বাড়তি জিনিসে ঝামেলা বেশি। এক, জিনিস সামলানোর চাপ। প্লেনে গেলে অতিরিক্ত চার্জ। এমনকী ট্রেনেও সমস্যা হতে পারে। ভিড় এড়িয়ে সুন্দর ভ্রমণের জন্য কম জিনিসপত্র সঙ্গে রাখুন।
ফাইল ছবি
হোটেলের বদলে বেছে নিতে পারেন হোস্টেল, হোমস্টে কিংবা গেস্টহাউস বা হোম সোয়াপিং। এতে আপনার খরচ কমবে। ইউটিউব বা ইনস্টায় দেখা নামী কোনও রেস্তোরাঁতে না গিয়ে লোকাল খাবারের দোকানে যান। কম খরচে স্থানীয় খাবারের স্বাদ নিন। সঙ্গে পরের কথায় ঠকে যাওয়ার ভয়ও থাকবে না। বেড়াতে গিয়ে বেশি জিনিসপত্র কিনতে যাবেন না। শুধু যে খরচ বাড়বে তা নয়। দীর্ঘ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভারী ব্যাগ বয়ে আনাও বিরক্তিকর। এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আপনার ভ্রমণ দুর্দান্ত হতে বাধ্য।
