২০২৬ সালে বিজেপির হাত ধরে ফের মহাকরণে ফিরবে সরকার। রাইটার্স থেকে সরকার পরিচালনার সম্ভাবনায় সিলমোহর পড়তেই কার্যত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে সংস্কারের কাজ। ৯ মে শপথগ্রহণের পর আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় কোথায় হতে চলেছে? সেই সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত হয়েছে ইতিমধ্যেই। মহাকরণের সংস্কার চলাকালীন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ ঘরেই বসবেন বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে রাজভবনের ক্ষমতা গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। শপথগ্রহণের পর রাজভবন থেকে হেঁটে মহাকরণে গিয়েছিলেন তিনি। ঠিক দু'বছর যেতে না যেতেই লালবাড়ি ছেড়ে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় হয়ে ওঠে নীল-সাদায় মোড়া নবান্ন। তারপর কেটে গেছে ১৫ বছর। ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের প্রত্যাবর্তেনর আশায় জল ঢেলে বঙ্গে পরিবর্তনের ঝড় তুলেছে বিজেপি। শনিবারই আনুষ্ঠানিকভাবে শপথগ্রহণের পরেই শুরু নতুন সরকারি কর্মকাণ্ড। তৃণমূলের নীল-সাদা নবান্নের বদলে ফের রাইটার্সে ফিরবে সরকার।
মহাকরণের খাঁ খাঁ বিল্ডিংই ফের সরকারি দপ্তরে পরিণত হতে চলেছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই রাজ্যের পূর্ত দপ্তরের তত্ত্বাবধানে পুরনো বিল্ডিং সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। পুরো বিল্ডিং ব্যবহারের উপযুক্ত করা এখনই সম্ভব নয়। তবে ২৮টি ঘর তৈরি আছে, সেখানে যাবতীয় কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু যতদিন পুরোপুরি সংস্কারের কাজ শেষ না হচ্ছে, ততদিন প্রশাসনিক কাজ চলবে বিধানসভা থেকেই। জানা গিয়েছে, বিধানসভায় তৈরি হচ্ছে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর অস্থায়ী সচিবালয়। যতদিন না রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কার সম্পন্ন হচ্ছে, ততদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর যে ঘর বরাদ্দ সেখানেই বসবেন গেরুয়া জমানার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। পাশের প্ল্যাটিনাম জুবিলি বিল্ডিংয়ে বসবে তাঁর সচিবালয়। সূত্রের খবর, কিছু জরুরি ক্ষেত্রে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী বা সম্ভাব্য উপমুখ্যমন্ত্রীর ঘরকে ব্যবহার করা হতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের অংশ হিসাবে।
বিধানসভার পাশের এই বিল্ডিংয়ে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর অস্থায়ী সচিবালয়।
