প্রাথমিক ট্রেন্ডে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষেও খাতা খুলতে পারেনি সিপিএম, আইএসএফ। অথচ জোট বেঁধে সরকার গঠনের দাবিতে এখনও এককাট্টা ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddiqui)।
নওশাদ বলেন, "ভাঙড় থেকে কমপক্ষে ৫০ হাজার ভোটে জিতছি। ডবল ডিজিট নিয়ে বিধানসভায় যাব। বাম ও আইএসএফের শক্তির ব্যাপক উত্থান হবে। তৃণমূল ও বিজেপি ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারেনি। বিজেপি প্রতিটি বুথে এজেন্ট দিতে পারেনি। আর এত সুষ্ঠু ভোট হয়েছে, প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ায় তৃণমূলকে পাত্তা দিচ্ছে না মানুষ। আট-দশ বছর পর মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। সুদে আসলে মিটিয়েছে মানুষ। আমরা ভোট দিয়ে কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত কিংবা সাম্প্রদায়িক শক্তিকে জেতাব না।"
সোমবার ভোটগণনার শুরুর কয়েকঘণ্টা পর তিনি বলেন, "ভাঙড় থেকে কমপক্ষে ৫০ হাজার ভোটে জিতছি। ডবল ডিজিট নিয়ে বিধানসভায় যাব। বাম ও আইএসএফের শক্তির ব্যাপক উত্থান হবে।" তাঁর আরও দাবি, "তৃণমূল ও বিজেপি ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারেনি। বিজেপি প্রতিটি বুথে এজেন্ট দিতে পারেনি। আর এত সুষ্ঠু ভোট হয়েছে, প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ায় তৃণমূলকে পাত্তা দিচ্ছে না মানুষ। আট-দশ বছর পর মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। সুদে আসলে মিটিয়েছে মানুষ। আমরা ভোট দিয়ে কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত কিংবা সাম্প্রদায়িক শক্তিকে জেতাব না।"
ভাঙড়ে এবার আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকির সঙ্গে তৃণমূলের শওকত মোল্লার লড়াই। শওকত এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার ভোটে এগিয়ে। খাতা খুলতে পারেননি নওশাদ। আবার ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলামও বেশ পিছিয়ে। তবে তা সত্ত্বেও জয়ের বিষয়ে এখনও প্রত্যয়ী নওশাদ। বলে রাখা ভালো, ফলপ্রকাশের আগে থেকেই নিজের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী নওশাদ। ভাঙড় থেকে ৫০ হাজার ভোটে জিতবেন বলে বারবার দাবি করেছেন বিদায়ী বিধায়ক। এখনও সেই একই দাবি শোনা যাচ্ছে নওশাদের গলায়।
