বেলা গড়াতেই কার্যত স্পষ্ট ট্রেন্ড! প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এখনও পর্যন্ত ১৫৩টি বিধানসভা আসনে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে ১০৯টি আসনে। বাম এবং কংগ্রেস দুটি করে আসনে এগিয়ে রয়েছে। আর এই ট্রেন্ড সামনে আসতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় উল্লাসে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মীসমর্থকরা। শুরু হয়ে গিয়েছে গেরুয়া আবির খেলা। শুধু তাই নয়, মিষ্টির দোকানে লাড্ডুর চাহিদা একধাক্কায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, সমস্ত দলের মিষ্টিই তৈরি রেখেছিলাম। কিন্তু লাড্ডু চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। আর তাই রাতারাতি সবুজ মিষ্টিকে গেরুয়াতে বদলে দিতে হচ্ছে।
শিবপুরের ব্যাতাইতলার বেতাই মিষ্টান্ন ভান্ডারের কর্ণধার সৈকত পাল বলেন, ভোট ফলাফলের (West Bengal Election Result) দিকে নজর রেখে তৃণমূল এবং বিজেপির চিহ্ন আঁকা মিষ্টি তৈরি রেখেছিলাম। কিন্তু বেলার পর থেকেই লাড্ডুর চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। সৈকত পালের কথায়, অনেকে এসে লাড্ডুর খোঁজ করছেন। ভালো চাহিদা রয়েছে। আরও এক মিষ্টির দোকানের কর্ণধার জানান, গেরুয়া কিংবা বিজেপি চিহ্নের মিষ্টির চাহিদা রয়েছে। রাতারাতি তাই বেশ কিছু মিষ্টিকে গেরুয়া করে দেওয়া হচ্ছে। মেশানো হচ্ছে ফুড কালার।
উল্লেখ্য, সকাল আটটা থেকে গণনা শুরু হয়। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হতেই দেখা যায় বিজেপির প্রার্থীরা একাধিক জায়গায় এগিয়ে যায়। উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায় বিজেপির প্রার্থীরা এগিয়ে যেতে থাকে। ক্রমে সেই ট্রেন্ড প্রায় গোটা বাংলাতেই দেখা যায়। খাস কলকাতায় বিজেপি একাধিক আসনে এগিয়ে যেতে থাকে। এরপর খোলা হয় ইভিএম।
গণনার প্রথম কয়েক রাউন্ডে এগোতেই বিজেপির বিজয়োল্লাস। ছবি: রতন দে
দেখা যায় বিজেপি প্রার্থীরা দিকে দিকে মার্জিন বাড়তে থাকে। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ আসনে বিজেপি প্রার্থীরা একাধিক আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে যান। কলকাতাতেও বিজেপি ভালো ফল করার ইঙ্গিত। এরপরেই বিভিন্ন জায়গায় লাড্ডু বিতরণ শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। খোদ ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুরু হয়েছে লাড্ডু বিতরণ।
